“এবার টার্গেট কিউবা…?”-ট্রাম্প জানালেন বড় প্ল্যান, তোলপাড় বিশ্ব রাজনীতি

মুখে শান্তির কথা বললেও কি তলে তলে নতুন যুদ্ধের সলতে পাকাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? ভেনেজুয়েলা ও ইরানের পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের নজরে দ্বীপরাষ্ট্র কিউবা। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে ইন্টার মিয়ামি সিএফ-এর এমএলএস চ্যাম্পিয়নশিপ উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এক চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
পরবর্তী লক্ষ্য কিউবা? ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প সরাসরি কিউবার নাম টেনে আনেন। তিনি বলেন, “আপাতত আমাদের প্রধান লক্ষ্য ইরানের সাথে এই সংঘাত শেষ করা। তবে এটা মাত্র সময়ের ব্যাপার, এরপর আপনারা আবার কিউবাতে যাবেন।” ট্রাম্পের এই মন্তব্যে কূটনৈতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দাবি, কিউবা নাকি আমেরিকার সাথে চুক্তি করতে মুখিয়ে আছে এবং প্রচুর কিউবান-আমেরিকান শীঘ্রই নিজেদের দেশে ফিরতে পারবেন।
ইরান নিয়ে বড় দাবি ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সাফল্য নিয়েও বড়াই করেছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন:
-
ইরানের বিমানবাহিনী বর্তমানে কার্যত পঙ্গু।
-
তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
-
গত ৩ দিনে ইরানের নৌবাহিনীর ২৪টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সামরিক সাফল্যের দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
চুক্তি করতে চায় তেহরান? ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরান এখন কোণঠাসা হয়ে আলোচনার টেবিল খুঁজছে। তিনি জানান, ইরানি নেতারা নাকি খোদ আমেরিকাকে ফোন করে চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছেন। কূটনীতিকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “যারা সহযোগিতা করবে, তারা নতুন ইরান গড়ায় অংশ নিতে পারবে। আর যারা সংঘাত চাইবে, তাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ।”
তেলের বাজার ও ভবিষ্যৎ চাল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা তৈরি হলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে বলে আশ্বস্ত করেছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের রণকৌশল স্পষ্ট—আপাতত ইরান ইস্যু মিটিয়েই কিউবা অভিমুখে নিজেদের কূটনৈতিক ও সামরিক মনোযোগ ঘোরাতে চায় ওয়াশিংটন।
এখন দেখার বিষয়, মধ্যপ্রাচ্যের আগুন নেভার আগেই ক্যারিবিয়ান সাগরে নতুন কোনো অস্থিরতার ঢেউ আছড়ে পড়ে কি না।