ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় বিধ্বস্ত ইরান, মৃত্যু মিছিলে সিঁদুরে মেঘ! রাত সাড়ে ৯টায় সিসিএস ডাকলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এখন বারুদের গন্ধ। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার খবর আসতেই বদলে গিয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। এই চরম উত্তেজনার আবহে রাতেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (CCS) জরুরি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ দিল্লি পৌঁছানোর পরেই তিনি এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বলে জানা গিয়েছে।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় ভারতের উদ্বেগ এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে ওমান উপকূলে ইরানের হামলায় একটি তেল ট্যাঙ্কারে ১৫ জন ভারতীয় নাবিক আটকে পড়ার খবর আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইরান ও ইজরায়েল—উভয় দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে ভারতের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। ভারত সরকারিভাবে সমস্ত পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানালেও, খামেনেইয়ের মৃত্যু এবং ইরানের পরবর্তী কড়া অবস্থান ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে।

ইরানের পক্ষ থেকে এই ‘অমার্জনীয় অপরাধের’ বদলা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, খামেনেইয়ের উত্তরসূরি হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন শাসক হিসেবে আয়াতোল্লা আরাফির নাম ঘোষণা করা হলেও, সামরিক অভিজ্ঞতা না থাকায় ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। এমতাবস্থায় মোদীর এই বৈঠক থেকে ভারত কোনো বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে কূটনৈতিক মহল।