সমালোচনার জবাব ব্যাটে! জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে খরা কাটিয়ে বিধ্বংসী ফর্মে কামব্যাক অভিষেকের!

টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই তাঁকে নিয়ে ছিল হাজারো প্রশ্ন। টানা চার ম্যাচে সংগ্রহ ছিল মাত্র ১৫ রান। গ্রুপ লিগে টানা তিনটি শূন্য (Duck) করার পর যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, ঠিক তখনই বিশ্বকাপে ভারতের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে স্বমহিমায় ফিরলেন অভিষেক শর্মা। বৃহস্পতিবার চিপক স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ৩০ বলে ৫৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলে ভারতকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
মাইলফলক ও রেকর্ড: অভিষেকের এই ইনিংসটি ছিল ৪টি চার এবং ৪টি ছক্কায় সাজানো। তবে এর মাঝেই একটি মজার পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। ২৬ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করা এই ইনিংসটি তাঁর টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় মন্থরতম ফিফটি। কাকতালীয়ভাবে, তাঁর ক্যারিয়ারের সবথেকে মন্থরতম ফিফটিও (৩৩ বল) এসেছিল এই জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধেই ২০২৪ সালে হারারেতে। অর্থাৎ, জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নামলেই যেন রানের গতিতে সামঞ্জস্য খুঁজে পান তিনি।
ফিরে আসা যখন সবথেকে জরুরি: গ্রুপ পর্বে আমেরিকা, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। নামিবিয়া ম্যাচে অসুস্থতার কারণে ছিলেন মাঠের বাইরে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে ১৫ রান করে ড্রেসিংরুমে ফিরলেও এদিন চেনা মেজাজে পাওয়া গেল তাঁকে। ১৮৩.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে অভিষেক প্রমাণ করলেন কেন তাঁকে ভারতীয় ক্রিকেটের আগামীর তারকা বলা হয়। সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে ভারতের জন্য এই ইনিংসটি ছিল সঞ্জীবনী সুধার মতো।