ভোটের আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়, বিরোধীদের কি আদৌ কোনো লাভ হবে?

এখনও ভোটার তালিকার সংশোধন (SIR) শেষ হয়নি, প্রকাশিত হয়নি চূড়ান্ত তালিকা। এমনকি জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণও ঘোষণা করেনি। কিন্তু তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ‘দাদাগিরি’ বন্ধ করতে কোমর বেঁধে নামছে কমিশন। আগামী ১ মার্চ থেকেই রাজ্যে আসতে শুরু করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন হতে চলেছে বাংলায়।
বিজেপির দাবি: “তৃণমূলের গুন্ডামি থামবে” বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে সাধারণ মানুষের ভয় কমবে। তৃণমূল ভোটের সময় যে গুন্ডামি করে, তা আটকানো যাবে। তবে কমিশনকে খেয়াল রাখতে হবে বাহিনী যেন স্থানীয় পুলিশের হাতের পুতুল হয়ে না থাকে।” তাঁর দাবি, এবার তৃণমূলের বিদায় নিশ্চিত।
সিপিআইএম-এর মত: “স্বচ্ছ ভোটই লক্ষ্য” সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সরাসরি বাহিনীর পক্ষে সওয়াল না করলেও স্বচ্ছ ভোটের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যদি ঠিকঠাক ভোট হতে পারে, তবে আমাদের রাজ্যে কেন হবে না? দুষ্কৃতীরা ভোটের সময় দাপাদাপি করে বলেই মানুষের মনে সংশয় থাকে। বাহিনীকে ঠিকঠাক কাজ করতে দিলে তবেই লাভ।”
কংগ্রেসের তোপ: “লুঠের রেকর্ড ভেঙেছে তৃণমূল” কংগ্রেস নেতা সুমন রায়চৌধুরীর মতে, “তৃণমূল বামেদের ভোট লুঠের রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মানুষের মনে ভরসা জোগাতে পারে। ভোট যদি শান্তিপূর্ণ হয়, তবে এবার তৃণমূলের ফেরার সম্ভাবনা ০.০%।”
তৃণমূলের পাল্টা চাল: “বিরোধীদের লোকবল নেই” বিরোধীদের এই আত্মবিশ্বাসকে নস্যাৎ করে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “বিরোধীদের লোকবল নেই। বুথে এজেন্ট দেওয়ার লোক নেই বলেই তারা হিংসার বাহানা দেয়। বাহিনীর ভয়ে মানুষ বিরোধীদের ভোট দেয় না। এবারও ফল আগের মতোই হবে।”