সাবধান! ৫ বার ভুল করলেই চিরতরে হারাবেন ড্রাইভিং লাইসেন্স, ২০২৬-এর নতুন নিয়মে কাঁপছে চালকরা!

দেশের রাস্তায় বিশৃঙ্খলা রুখতে এবং ক্রমবর্ধমান সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিল কেন্দ্র সরকার। ‘সেন্ট্রাল মোটর ভেহিকেলস (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) রুলস ২০২৬’-এর মাধ্যমে ট্রাফিক আইনকে আগের চেয়ে বহুগুণ কঠোর করা হয়েছে। এবার আর শুধু জরিমানা দিয়ে পার পাওয়া যাবে না; চালকের আচরণের ওপর ভিত্তি করেই ঠিক হবে তাঁর লাইসেন্সের ভবিষ্যৎ।

এক বছরে ৫ ভুল হলেই বিপদ: নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে কোনো চালক যদি ৫ বার ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করেন, তবে কর্তৃপক্ষ সরাসরি তাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড বা বাতিল করতে পারবে। আগে কেবল বড় অপরাধে লাইসেন্স কাড়া হতো, কিন্তু এখন থেকে ছোট-বড় মোট ২৪ ধরনের অপরাধকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে চালকদের জন্য স্বস্তির খবর এটুকুই যে, অপরাধের এই গণনা প্রতি বছর শেষে ‘রিসেট’ হয়ে যাবে অর্থাৎ নতুন বছরে আগের হিসেব আর থাকবে না।

নজরে থাকবে যে ২৪টি অপরাধ: স্পিড লিমিট পার করা, সিট বেল্ট না পরা, হেলমেটবিহীন বাইক চালানো, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহার, ট্রাফিক সিগনাল ভাঙা, উল্টো দিকে গাড়ি চালানো এবং সঠিক নথিপত্র না রাখার মতো ২৪টি বিষয়কে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। প্রযুক্তির সাহায্যে এএনপিআর ক্যামেরা ও সিসিটিভি-র মাধ্যমে সরাসরি ‘বাহন’ ও ‘সারথি’ পোর্টালে অপরাধের তথ্য জমা হবে। ৫ বার নিয়ম ভাঙলে আরটিও থেকে সরাসরি কারণ দর্শানোর নোটিশ আসবে।

টোল ট্যাক্স ফাঁকিতেও কড়া দাওয়াই: কেবল রাস্তা নয়, টোল প্লাজাতেও নিয়ম কড়া হয়েছে। বকেয়া টোল থাকলে গাড়ির এনওসি (NOC) মিলবে না। এমনকি ফিটনেস সার্টিফিকেট রিনিউ করা বা গাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রেও বড় বাধার সম্মুখীন হতে হবে মালিককে। মূলত প্রযুক্তির মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালিয়ে চালকদের মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।