আর নেই প্রাণের ঝুঁকি! মালদহের ভূতনি দ্বীপে শুরু হলো মেগা সংস্কার, স্বস্তিতে লক্ষাধিক মানুষ

মালদহের ভূতনি দ্বীপের বাসিন্দাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। গত ৬ মাস ধরে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা দক্ষিণ চণ্ডিপুর এলাকার ভাঙা বাঁধ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ অবশেষে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু করেছে রাজ্য সেচ দফতর। গঙ্গা ও ফুলহার নদীর জোড়া ফলায় বিধ্বস্ত এই জনপদের লক্ষাধিক মানুষের কাছে এই খবরটি যেন নতুন জীবনের আশ্বাস।

বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপট: প্রায় ছয় মাস আগে নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছিল ভূতনির এই প্রধান রক্ষাকবচ ও চলাচলের একমাত্র পথ। এর ফলে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে মুমূর্ষু রোগী—সকলকেই প্রাণ হাতে নিয়ে ভাঙা পথ বা নৌকায় পারাপার করতে হতো। দু’বছরে দু’বার বাঁধ ভাঙার ফলে কার্যত দ্বীপপুঞ্জে পরিণত হয়েছিল গোটা এলাকা।

সংস্কারের আপডেট: নদীর জলস্তর কমতেই সেচ দফতর হেভি মেশিনারিজ নিয়ে কাজে নেমে পড়েছে। ঠিকাদার সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় ৫০ মিটারেরও বেশি বিস্তৃত এই ভাঙা অংশ মেরামত করতে আরও ২০ দিন সময় লাগবে। কাজ শেষ হলে ভূতনির যোগাযোগ ব্যবস্থা আগের মতো স্বাভাবিক হবে। গ্রামবাসী সুভাষচন্দ্র মণ্ডলের কথায়, “রিং বাঁধটিও ভেঙে যাওয়ায় আমরা পুরোপুরি যোগাযোগহীন হয়ে পড়েছিলাম। কাজ শুরু হওয়ায় এবার অন্তত নিরাপদে যাতায়াত করতে পারব।”