দিল্লি অ্যারোসিটি হতে চলেছে মেট্রোর ‘সুপার জংশন’! এয়ারপোর্ট পৌঁছনো হবে আরও সহজ ও দ্রুত

দিল্লির যাতায়াত ব্যবস্থায় বড়সড় বিপ্লব আনতে চলেছে দিল্লি মেট্রোর ফেজ-৪ প্রকল্প। বর্তমানে সচল এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইনের অ্যারোসিটি স্টেশনটিকে যুক্ত করা হচ্ছে নির্মীয়মাণ তুঘলকাবাদ-অ্যারোসিটি গোল্ডেন লাইনের (পূর্বে যা সিলভার লাইন নামে পরিচিত ছিল) সাথে। সম্প্রতি অ্যারোসিটি থেকে আইজিআই এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-১ পর্যন্ত ২.২৬ কিমি দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ সম্প্রসারণের অনুমোদন মিলেছে, যার ফলে দক্ষিণ দিল্লির বাসিন্দারা সরাসরি মেট্রোতেই এয়ারপোর্টের ঘরোয়া টার্মিনালে পৌঁছতে পারবেন।
ট্রিপল ইন্টারচেঞ্জ ও অত্যাধুনিক সুবিধা: ভবিষ্যতে এই স্টেশনটি শুধুমাত্র মেট্রোর দুটি লাইন নয়, বরং NCRTC-র আলোয়ার করিডোর-এর (RRTS) সাথেও যুক্ত হবে। অর্থাৎ যাত্রীরা এখানে মেট্রো এবং র্যাপিড রেল—উভয় সুবিধাই পাবেন। স্টেশনের নকশায় এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রাখা হয়েছে যা সচরাচর দেখা যায় না:
-
বিশাল প্ল্যাটফর্ম: গোল্ডেন লাইনের প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ২৯০ মিটার লম্বা হবে (সাধারণত ইন্টারচেঞ্জ স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম ২৬০ মিটার হয়)।
-
গভীরতা: মাটির নিচে প্রায় ২২ মিটার গভীরতায় তৈরি হবে এই স্টেশন।
-
সরাসরি কানেক্টিভিটি: এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইন এবং গোল্ডেন লাইনের মধ্যে যাতায়াতের জন্য প্ল্যাটফর্ম-টু-প্ল্যাটফর্ম এবং কনকোর্স এরিয়ার মাধ্যমে সরাসরি সংযোগ থাকবে।
উপকৃত হবেন যাঁরা: এই প্রকল্পের ফলে দক্ষিণ দিল্লির তুঘলকাবাদ, আম্বেদকর নগর, খানপুর, মহিপালপুর এবং বসন্ত কুঞ্জের মতো জনবহুল এলাকাগুলির মানুষ খুব সহজেই এয়ারপোর্টের যে কোনো টার্মিনালে যাতায়াত করতে পারবেন। টার্মিনাল-১ যাওয়ার জন্য সরাসরি গোল্ডেন লাইন ব্যবহার করা যাবে, অন্যদিকে টার্মিনাল-৩ যাওয়ার জন্য অ্যারোসিটিতে নেমে এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইনে বদল করা যাবে।