সতর্ক হোন! আপনার অজান্তেই কি বধির হয়ে যাচ্ছে সন্তান? শিশুর শ্রবণশক্তি রক্ষায় মেনে চলু এই টিপস

শিশুর কান প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত শব্দ শুধু সাময়িক সমস্যাই তৈরি করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে শিশুর শ্রবণশক্তি চিরতরে কেড়ে নিতে পারে। একবার শ্রবণশক্তির ক্ষতি হলে তা আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না, তাই প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই এখানে সবচেয়ে জরুরি।
অতিরিক্ত শব্দ থেকে সুরক্ষা: কনসার্ট, সিনেমা থিয়েটার, স্টেডিয়াম কিংবা আতশবাজির শব্দ শিশুর কানের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। এই ধরনের উচ্চশব্দের জায়গা থেকে শিশুদের দূরে রাখাই শ্রেয়। যদি যেতেই হয়, তবে সুরক্ষার জন্য উচ্চমানের ইয়ার মাফস (Ear Muffs) ব্যবহার করা উচিত। তবে মনে রাখবেন, শিশুদের কানে ইয়ারপ্লাগস (Earplugs) ব্যবহার করা বিপজ্জনক হতে পারে, কারণ এটি কানের ভেতরের নমনীয় অংশের ক্ষতি করে।
দৈনন্দিন অভ্যাস ও সচেতনতা:
ভলিউম নিয়ন্ত্রণ: বাড়িতে টিভি, মিউজিক প্লেয়ার বা অন্য কোনো গ্যাজেটের ভলিউম সব সময় মাঝারি রাখা জরুরি।
দূরত্ব বজায় রাখা: শিশুদের কখনোই লাউডস্পিকারের খুব কাছে দাঁড়িয়ে গান শোনার অভ্যাস করতে দেবেন না।
সঠিক পরীক্ষা: শিশুর শ্রবণশক্তি ঠিক আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন? যদি দেখেন আপনার শিশু শব্দের প্রতি সঠিক প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে না, ডাকলে সাড়া দিতে দেরি করছে কিংবা তার কথা বলা শিখতে অস্বাভাবিক দেরি হচ্ছে— তবে সময় নষ্ট না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, আজকের সামান্য সচেতনতাই আপনার শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।