য়ো পরিচয়ে ভারতের সরকারি স্কুলে চাকরি! পাকিস্তানি মহিলার কীর্তিতে স্তম্ভিত পুলিশ

চাকরি পাওয়ার নেশায় নিজের পাকিস্তানি নাগরিকত্ব লুকিয়ে টানা ৩০ বছর ভারতে শিক্ষকতা করার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে প্রশাসনিক মহলে। বেসিক এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের অভ্যন্তরীণ তদন্তে বিষয়টি ধরা পড়ার পর অভিযুক্ত মহিলা মাহিরা আখতার ওরফে ফারজানার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মাহিরা কুমহারিয়া গ্রামের একটি প্রাথমিক স্কুলে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, তিনি ১৯৭৯ সালে এক পাকিস্তানি নাগরিককে বিয়ে করে সেদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে বিচ্ছেদ হলে পাক পাসপোর্ট নিয়েই তিনি ভারতে ফেরেন এবং ১৯৮৫ নাগাদ স্থানীয় এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। সেই সময়ই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নিজেকে ভারতীয় নাগরিক পরিচয় দিয়ে শিক্ষা দফতরে চাকরি বাগিয়ে নেন তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনুরাগ সিং জানান, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮(৪), ৩৩৬, ৩৩৮ ও ৩৪০ ধারায় প্রতারণা ও জাল নথি ব্যবহারের মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট সামনে আসতেই তাঁকে সাসপেন্ড ও পরে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করছে, তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।