ইরানে মহাবিপ্লব! সেনাসদরে আমজনতার কবজা, দেশ ছেড়ে কি রাশিয়া পালাচ্ছেন খামেনেই?

ইরানে জনরোষের দাবানল এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে প্রত্যাবর্তনের পথ প্রায় রুদ্ধ। রাজধানী তেহরান থেকে শুরু করে শিরাজ, কারমানশাহ— সর্বত্রই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে একটাই স্লোগান, ‘মোল্লা হঠাও, দেশ বাঁচাও’। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেই যেকোনো মুহূর্তে দেশ ছাড়তে পারেন বলে খবর চাউর হয়েছে। সূত্রের দাবি, তাঁকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে প্রস্তুত পুতিনের রাশিয়া।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেনা সদর দপ্তর দখল করে নিয়েছে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান সরকার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। ‘নেটব্লকস’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট নিশ্চিত করেছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে এয়ারবেসগুলো কার্যত অচল। বিক্ষোভ দমনে জলকামান ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করা হলেও জনস্রোতকে আটকানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, খোদ ইরানের সেনাবাহিনীর একটি বড় অংশ এখন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, খামেনেই এখন নিজের বাহিনীর হাতেই অবরুদ্ধ হওয়ার পথে। নির্বাসিত শাহজাদা রেজা পহলভির আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাস্তায় নেমেছে কাতারে কাতারে মানুষ। লোরদেগান ও তেহরানের উপকণ্ঠে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হতাহতের খবরও সামনে আসছে। ইতিহাসের এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ইরান— কয়েক দশকের ইসলামিক শাসন কি এবার ধূলিসাৎ হতে চলেছে?