‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্রকে হারানো সহজ নয়! শোকস্তব্ধ ঋতুপর্ণা বললেন, “উনি ইন্ডাস্ট্রির পিলার, চোখ সরানো যেত না!”

ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার ‘হি-ম্যান’ এবং কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা বিনোদন দুনিয়াও। ‘শোলে’র বীরু চরিত্রটি এপার বাংলার মানুষের কাছে চিরস্মরণীয়। এই মহান অভিনেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

ইটিভি ভারতকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ঋতুপর্ণা ধর্মেন্দ্রর স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, “ধর্মেন্দ্র জি ইন্ডাস্ট্রির পিলার ছিলেন। উনি অনেক বড় মাপের একজন অভিনেতা এবং দারুণ একজন এন্টারটেনার ছিলেন। আমি বলব, ওঁর কমিক টাইমিংস ছিল সুপার। চোখ সরানো যেত না।”

হেমা মালিনীর বাড়িতে প্রথম আলাপ
অভিনেত্রী স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে জানান, একসময় তিনি হেমা মালিনীর সঙ্গে ‘মোহিনী’ নামে একটি ছবিতে কাজ করেছিলেন। সেই সময়েই হেমা মালিনী তাঁকে তাঁদের বাড়িতে ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেন। ঋতুপর্ণার কথায়, “খুব জোভিয়াল (আনন্দময়) পার্সোনালিটির মানুষ ছিলেন উনি। সবসময় হাসি-মজায় মেতে থাকতেন। মানুষটা যেমন মজার, তেমনি ওঁর ছিল ওঁর জীবনীশক্তি। আর তাই হয়তো এই বয়সেও ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’-তে ওনার পারফরম্যান্স মনে রাখার মতো হয়েছে।” তিনি বিশেষ করে ‘ইন দিনো’ গানে ধর্মেন্দ্রর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন।

অনবদ্য লেগাসি রেখে গেলেন
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের প্রিয় ধর্মেন্দ্রর ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘শোলে’ এবং ‘চুপকে চুপকে’। তিনি বলেন, “ওঁর আরও অনেক ছবিই আমার বড় প্রিয়। অনবদ্য সব কাজ করে গিয়েছেন। আজ সত্যিই নক্ষত্রপতন হল।”

অভিনেত্রী আরও বলেন, “উনি একটা দারুণ জীবন কাটিয়ে গেছেন। অভিনয় ছাড়াও শুনেছি তিনি অর্গ্যানিক ফার্মিং করতেন। অর্থাৎ, মানুষটা শুধু অভিনয় নয়, তার বাইরেও অনেক কাজ করতেন। উনি আজ যে সম্মান আর লেগাসি রেখে গেলেন, তা অনস্বীকার্য। ওঁর পরিবারের সবাই দিকপাল। উনি সবাইকে প্রতিষ্ঠিত দেখে গেলেন। আমি চাইব উনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন।”