লাল কেল্লার বিস্ফোরণ: বাংলাদেশ যোগে চাঞ্চল্য! কাশ্মীরি নারী চিকিৎসকের আড়ালে ‘জঙ্গি’ নেটওয়ার্ক?

সোমবার দিল্লির লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় বারোটি নিরীহ প্রাণহানির পর তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটন করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। এবার সেই নৃশংস ঘটনায় উঠে এলো সরাসরি বাংলাদেশের নাম।
বিস্ফোরণের পরদিন, মঙ্গলবার উত্তর প্রদেশের ফরিদাবাদ থেকে ২৯০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হলেও, গোয়েন্দা সূত্রে অনুমান করা হচ্ছে যে কম করে আরও ৩৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক এখনও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, এই বিস্ফোরক মূলত বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। NIA তদন্তকারীদের কাছে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক খুঁজে বের করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তবে এখানেই শেষ নয়। শাহিন নামে এক সন্দেহভাজন ধরা পড়লেও, গোয়েন্দারা আরও দুজন মহিলা চিকিৎসকের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন। জানা যাচ্ছে, এই দুই নারী ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করার পর জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও শ্রীনগরে ডাক্তারি করতেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পেশার আড়ালে তারা কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) হয়ে কাজ চালাচ্ছিলেন। এদের এখনও কোনো খোঁজ মেলেনি। গোয়েন্দারা মনে করছেন, এই দুই নারীই ছিল মূল ‘লিঙ্কম্যান’। তাদের ডিজিটাল ওয়ালেটে ইস্তাম্বুল এবং দোহা থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঢুকেছে বলেও জানা গেছে।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা যায়, অতীতে জইশ ও লস্কর-ই-তৈবার বড় বড় জঙ্গি নেতারা ধর্ম প্রচারের আড়ালে একাধিকবার বাংলাদেশে সফর করেছে। এমনকি, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে তাদের দফতর খুলতে চাইছে, যার নাকি অনুমোদন দিয়েছেন স্থানীয় ইউনুস সরকার। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের ধারণা, পাক অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) দিয়ে ভারতে প্রবেশ করা কঠিন হওয়ায়, জঙ্গিরা এখন বাংলাদেশকে নিজেদের ঘৃণ্য উদ্দেশ্য সফল করার জন্য ‘করিডোর’ হিসেবে ব্যবহার করছে।