সোনা-রুপো নয়, ধনতেরাসে শুধু এই ‘মশলা’টি কিনুন! মা লক্ষ্মীর কৃপায় উপচে পড়বে ধন-সম্পদ

আর মাত্র কটা দিনের অপেক্ষা, তারপরই শুরু হচ্ছে আলোর উৎসব। ধনতেরাস মানেই নতুন কিছু কেনার শুভ মুহূর্ত, কারণ এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি। সোনা-রুপো কেনার চল থাকলেও, জানেন কি, ধনতেরাসের দিন একটি বিশেষ ‘মশলা’ বা বীজ কিনলে আপনার ভাগ্য বদলে যেতে পারে?
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, ধনতেরাসের দিন ধনে বা ধনে বীজ কেনার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই সাধারণ মশলাটিকে মনে করা হয় ধন সম্পত্তি এবং সৌভাগ্যের প্রতীক।
ধনে বীজে কেন এত গুরুত্ব?
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে, ধনে বীজের সঙ্গে বুধ গ্রহের গভীর সংযোগ রয়েছে। বুধ গ্রহকে আর্থিক স্থিতি এবং বাণিজ্যিক সাফল্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। তাই মনে করা হয়, ধনতেরাসের দিনে ধনে বীজ কিনে ঘরে রাখলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয় এবং ব্যবসায় সাফল্য লাভ করা যায়।
সোনা-রুপো ছাড়াও আর কী কিনবেন?
শাস্ত্র মতে, ধনতেরাসের দিন শুধু সোনা-রুপো নয়, এমন আরও কিছু জিনিস রয়েছে যা আপনি ঘরে আনতে পারেন। এগুলি আপনার সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। ধনে বীজ ছাড়াও এদিন হলুদ, গুড়ের বাতাসা বা মিষ্টিদ্রব্য কেনা শুভ বলে মনে করা হয়।
সুখ-সমৃদ্ধির জন্য আরও কিছু টিপস:
হরীতকী (Haritaki): জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, এই দিন ঘরে হরীতকী আনা অত্যন্ত শুভ। কারণ, এটি স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর প্রতীক।
সুপারি: ধনতেরাসের দিন সুপারিও কিনতে পারেন। সুপারি যেকোনো শুভ কাজের সূচনা করে এবং দেবীর আশীর্বাদের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।
জায়ফল: সমৃদ্ধি ও পরিবারের আর্থিক স্থিতির প্রতীক হিসেবে এদিন জায়ফল কেনাও অত্যন্ত শুভ।
মা লক্ষ্মী ও কুবেরের আরাধনা:
ধনতেরাসের দিন সন্ধ্যায় ঘরে প্রদীপ জ্বালিয়ে মা লক্ষ্মী ও কুবেরের পুজো করুন। ঘরের মূল দরজায় প্রদীপ স্থাপন করুন, যাতে ধনলক্ষ্মী সহজে ঘরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া, অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা দূর করতে এইদিন যমরাজের উদ্দেশেও একটি প্রদীপ জ্বালানো হয়।
এই ছোট ছোট টোটকাগুলি মেনে চললে ধনতেরাসে আপনার সংসারে আসবে অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।