TMC-তে ‘ভাইরাস’ দেখছেন কুণাল, ছাব্বিশের নির্বাচনে কত আসন? করলেন ভবিষ্যত্বাণী

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ ২০২৬ সালের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই ‘অর্গানিক ট্র্যাফিকের’ ওপর জোর দিতে শুরু করেছেন!
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে তিনি জোরের সঙ্গে দাবি করেছেন, আগামী বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০-টিরও বেশি আসন পাবে। তবে এর সঙ্গেই তিনি দলের একাংশ নেতা-কর্মীর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও ঔদ্ধত্য নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার করা সেই পোস্টে কুণাল লিখেছেন, “নেত্রীর প্রতি মানুষের আস্থা, অভিষেকের প্রতি ভালোবাসা দেখে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে যদি দলের একাংশের নেতা, কর্মী রাজনীতির আসল অংশটা থেকে সরে গিয়ে ঔদ্ধত্য ও অন্য কিছু ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তাহলে কিছু মানুষ, এমনকি দলের কর্মীরাও বিরক্ত হতে পারেন। দলের মধ্যে থেকেই এই বিষয়ে এলাকাভিত্তিতে সতর্ক থাকা দরকার।”
স্থানীয় স্তরে ‘মেরামতি’র পরামর্শ, বর্জন করতে হবে ‘শাসকের মেদ’
কুণাল ঘোষের মতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের কারণে মানুষ নজিরবিহীন উপকার পাচ্ছেন, তাই ২৫০-টিরও বেশি আসন পাওয়ার ক্ষমতা তৃণমূলের রয়েছে। তবে এই লক্ষ্য পূরণের জন্য তিনি স্থানীয় স্তরে “মেরামতি” ও কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, “কিছু জায়গায় স্থানীয়স্তরে একটু মেরামতি দরকার। সঠিক লোক চেনা দরকার। ইগো/গোষ্ঠী সরিয়ে মানিয়ে নেওয়া দরকার। শাসকের অর্জিত মেদ বর্জন দরকার। অর্গ্যানিক/স্বাভাবিক আবেগ, উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা বেড়ে চলুক। কৃত্রিম বাতাবরণ বর্জিত থাক।”
২০২৬-এর ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে
এদিকে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া চালু করে দেওয়ায় রাজ্যে ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। কমিশনের ইঙ্গিত অনুযায়ী, SIR প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন হবে। ২০২১ সালে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছিল ২৬ ফেব্রুয়ারি, ভোট হয়েছিল ৮ দফায় এবং ফল প্রকাশিত হয়েছিল ২ মে। তাই মনে করা হচ্ছে, ২০২৬ সালেও একই রকম সময়ে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।