যৌন লালসার শিকার ছিল ২ নাবালিকা,পুলিশের এনকাউন্টারে খতম ধর্ষক

উত্তরপ্রদেশে ফের পুলিশের এনকাউন্টার। এবার মেরঠের সারুরপুর জঙ্গলে পুলিশের গুলিতে খতম হলো জেল পালানো কুখ্যাত ধর্ষক শাহজাদ ওরফে নিক্কি ধীর। তার মাথার দাম ছিল ২৫ হাজার টাকা এবং তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অপহরণ ও হত্যার চেষ্টা সহ ১৫টিরও বেশি গুরুতর অপরাধের মামলা দায়ের ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে পাঁচ বছর কারাবন্দি থাকার পর নিক্কি ধীর পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে জেল থেকে পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার সকালে সারুরপুরের জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ।
নিজের ঘেরাও হয়ে যাওয়া আঁচ করে কুখ্যাত অপরাধী শাহজাদ ওরফে নিক্কি ধীর পুলিশ দলের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশের গুলিতে সে বুকে ও পায়ে গুরুতরভাবে আহত হয়। দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে এসপি (গ্রামীণ) অভিজিত কুমার সহ বিশাল পুলিশবাহিনী উপস্থিত হন।
মিরাঠের এসএসপি বিপিন টাডা নিশ্চিত করেছেন, নিহত অপরাধীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, লুট ও খুনের চেষ্টা সহ মোট ৭টি মামলা দায়ের ছিল। তিনি জানান, অতীতে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলায় সাজা ভোগের পরও জেল থেকে মুক্তি পেয়ে সে ফের অপরাধের পথে ফেরে এবং সম্প্রতি এক ৭ বছর বয়সী শিশুর উপর নৃশংস অত্যাচার চালায়, যাতে শিশুটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছিল। এই ঘটনাগুলির পরই পুলিশ তার গ্রেফতারের জন্য ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা করে। শাহজাদ বেআইনি অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গেও জড়িত ছিল।
এসএসপি জানান, “সোমবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের দল সারুরপুরের জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান চালায়। তাকে ঘিরে ফেলা হয়েছে বুঝে শাহজাদ পুলিশের উপর গুলি চালায়। পাল্টা গুলিতে সে গুরুতরভাবে আহত হয় এবং হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।” সারুরপুর থানার ওসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিরাট, মুজাফফরনগর ও বাঘপাত জেলায় তার বিরুদ্ধে ১৫টিরও বেশি মামলা ছিল।