OMG! ১৭ বছরের মেয়েকে গুলি করে খুন, নদীতে দেহ ফেলল বাবা! গ্রেফতার অভিযুক্ত

প্রেমের সম্পর্কের ‘অপরাধে’ ১৭ বছরের মেয়েকে গুলি করে খুন করার পর দেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি ‘অনার কিলিং’ (Honor Killing)-এর ঘটনা। অভিযুক্ত বাবা ভরৎ ওরফে বন্টু সিকরোয়ারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ২৩-২৪ সেপ্টেম্বর রাতে, মোরেনা শহরের আম্বাহ বাইপাস এলাকায় অভিযুক্ত সিকরোয়ারের বাড়িতে।
প্রতিবেশীর অভিযোগ: সিভিল লাইন থানার ওসি দর্শন শুক্লা জানান, এক প্রতিবেশী পুলিশকে ফোন করে জানান যে, কয়েকদিন ধরে ওই মেয়েটিকে দেখা যাচ্ছে না। চারদিন আগে তিনি ওই বাড়ি থেকে গুলির আওয়াজ ও মেয়ের চিৎকার শুনেছিলেন।
বাবাকে আটক: শনিবার এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ভরৎ ওরফে বন্টু সিকরোয়ারকে আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত সিকরোয়ার পুলিশের কাছে দাবি করেন, সিলিং ফ্যান ভেঙে পড়ে তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু জেরার মুখে ফাঁস হয়ে যায় আসল ঘটনা:
অভিযুক্ত জানান, মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই আক্রোশেই তিনি মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেন।
খুনের প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি মেয়ের দেহ নিয়ে যান তাঁর পূর্বপুরুষের গ্রাম গালেথায়। সেখানেই ক্বরি নদীতে দেহ ফেলে দেন। কারণ হিসেবে তিনি পুলিশকে জানান, মেয়ে অবিবাহিত ছিল।
কাপড়ে পাথর বেঁধে নদীতে ফেলা হয়েছিল দেহ
শনিবারই এসডিআরএফ (SDRF)-এর সাহায্যে নদীতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। রবিবার সকালে ফের অভিযান শুরু হয়।
সকাল ১০টা নাগাদ জলের তলা থেকে মেয়েটির (দিব্যা) মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি কাপড়ে মুড়ে, পাথর বেঁধে নদীতে ফেলা হয়েছিল, যাতে তা ভেসে না ওঠে।
দেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।