‘ক্ষমতার স্বাদ নিতে আসিনি…’, নেপালের নতুন সরকারের ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিলেন সুশীলা

নেপালের ইতিহাসে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সুশীলা কারকি। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তার সরকারের প্রধান কাজ হবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা এবং ছয় মাসের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। সুশীলা কারকি বলেছেন, তিনি এবং তার দলের সদস্যরা ক্ষমতার জন্য আসেননি, বরং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে এসেছেন।

সম্প্রতি নেপালে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, যার ফলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। নতুন অন্তর্বর্তী সরকার এই আন্দোলনকারীদের প্রতি সংবেদনশীলতা দেখিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি ঘোষণা করেছেন, ৮ই সেপ্টেম্বরের আন্দোলনের সময় নিহতদের ‘শহিদ’-এর মর্যাদা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে, তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে দশ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে এবং আহতদের চিকিৎসার সমস্ত খরচ সরকার বহন করবে।

স্থানীয় গণমাধ্যম ‘দ্য হিমালয়ান টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আন্দোলনে মোট ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৫৯ জন বিক্ষোভকারী, ১০ জন কারাবন্দী এবং ৩ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। সুশীলা কারকির এই পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি দেশের জনগণকে এই প্রক্রিয়া সফল করতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।