শ্রীকৃষ্ণের মতো স্বভাব হয় এই তারিখগুলিতে জন্মানো ব্যক্তিদের, তবে দেরিতে আসে সাফল্য

সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমোরলজি অনুযায়ী, জন্মতারিখ এবং নামের যোগফল থেকে একজন ব্যক্তির চরিত্র এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এই গণনা অনুযায়ী, যাদের মূলাঙ্ক ৮, তাদের স্বভাব অনেক ক্ষেত্রেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মতো হয়। মজার বিষয় হলো, শ্রীকৃষ্ণের নাম ‘KRISHNA’ এর সংখ্যাতাত্ত্বিক যোগফলও ৮। এই মূলাঙ্কের জাতক-জাতিকারা কেমন হন এবং তাদের জীবনের বৈশিষ্ট্যগুলো কী, সে বিষয়ে একটি বিশ্লেষণ।
মূলাঙ্ক ৮: স্বভাব ও বৈশিষ্ট্য
যাদের জন্ম কোনো মাসের ৮, ১৭ বা ২৬ তারিখে, তাদের মূলাঙ্ক ৮। এই মূলাঙ্কের অধিপতি হলেন কর্মফলদাতা শনিদেব। ৮ মূলাঙ্কের ব্যক্তিরা অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং সৎ হন। তাদের মধ্যে দৃঢ় ধৈর্য এবং স্থির বুদ্ধি থাকে, যার কারণে তারা জীবনে দেরিতে হলেও বড় সাফল্য লাভ করেন।
শ্রীকৃষ্ণের জীবনের মতোই, ৮ মূলাঙ্কের জাতক-জাতিকাদের জীবনে সাফল্য প্রায়শই দেরিতে আসে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ৩৫ বছর বয়সের পর তাদের জীবনে সাফল্যের যোগ তৈরি হয়। উদাহরণ হিসেবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্ম ১৭ সেপ্টেম্বর, যার মূলাঙ্ক ৮। তিনিও জীবনে দেরিতে সাফল্য পেলেও সেই সাফল্য ছিল অভাবনীয়।
এই মূলাঙ্কের ব্যক্তিরা দূরদর্শী হন এবং যেকোনো পরিস্থিতি আগে থেকেই আঁচ করতে পারেন। তারা গম্ভীর এবং চাপা স্বভাবের হন, সহজে মনের কথা কাউকে প্রকাশ করেন না। তারা কথা কম বলেন এবং মনোযোগ দিয়ে কাজ করেন। তাদের বুদ্ধিমত্তা এবং শান্ত স্বভাব তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক
৮ মূলাঙ্কের ব্যক্তিরা সহজে কাউকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেন না। তবে, একবার বন্ধুত্ব হলে তারা সেই সম্পর্ককে মূল্য দেন এবং বন্ধুর পাশে সবসময় থাকেন। তারা অত্যন্ত ভরসাযোগ্য হন। শ্রীকৃষ্ণের মতো, এই ব্যক্তিরাও অন্যদের সাহায্য করতে ভালোবাসেন।
পেশা ও সাফল্য
ব্যবসা, রাজনীতি এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা সাফল্য লাভ করেন। এদের মধ্যে প্রচুর অর্থ উপার্জনের ক্ষমতা থাকে। তবে, মনে রাখতে হবে, কেবল পরিশ্রম করলেই তারা ফল পাবেন।
কিছু নেতিবাচক দিক
৮ মূলাঙ্কের ব্যক্তিদের কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়ার কারণে তারা অনেক সময় বিভিন্ন সমস্যায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে নিজেদের জাহির করার প্রবণতা থাকে, যার কারণে সহকর্মীরা তাদের অপছন্দ করতে পারেন। এছাড়াও, তারা স্পষ্টবক্তা হওয়ায় অনেক সময় অন্যদের বিরাগভাজন হন। এই মূলাঙ্কের ব্যক্তিদের মধ্যে অবসাদের প্রবণতাও দেখা যায়।