নবান্ন অভিযানে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, লাঠিচার্জের কারণ ব্যাখ্যা করল পুলিশ

গত শনিবার তিলোত্তমার ন্যায়বিচারের দাবিতে নবান্ন অভিযান ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এবার তা নিয়ে মুখ খুলেছে কলকাতা পুলিশ। অভিযানের দু’দিন পর একটি বৈঠকে যুগ্ম কমিশনার (হেডকোয়ার্টার) মিরাজ খালিদ জানিয়েছেন, নবান্ন অভিযানের জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে কোনো অনুমতি চাওয়া হয়নি এবং তিলোত্তমার মাকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
মিরাজ খালিদ বলেন, “গত ৯ তারিখ নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। ‘নবান্ন চলো’ নামে সমাজ মাধ্যমে এর প্রচার চলে। আমরা জানতে পারি যে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ এর আয়োজক। আমরা তাদের ইমেল করি, কিন্তু তারা জানায় যে তারা আয়োজক নয়।” তিনি আরও জানান যে, পুলিশের পক্ষ থেকে সাঁতরাগাছি বা রানি রাসমণি রোডে বিক্ষোভ দেখানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা প্রেস ব্রিফিংয়েও জানানো হয়।
অভিযানের দিন কী ঘটেছিল, সে প্রসঙ্গে মিরাজ খালিদ বলেন, “প্রায় ৫০০ জনের মতো মানুষ ছিল। হঠাৎ করে তারা রানি রাসমণি রোড না গিয়ে ডোরিনা ক্রসিং থেকে সাউথের দিকে মিছিল নিয়ে যায়। পুলিশ তাদের বাধা দেয়, কিন্তু তারা শোনেননি। এরপর পুলিশকে মারধর করা হয়, যার ফলে ৫ জন পুলিশ কর্মী আহত হন। ডিসি সেন্ট্রালের গার্ড গুরুতর আহত হন।” এই ঘটনায় ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তিলোত্তমার মায়ের মারধরের অভিযোগ প্রসঙ্গে মিরাজ খালিদ বলেন, “আমরা চাইনি উনি আহত হন। আমরা সব ফুটেজ খতিয়ে দেখেছি, কিন্তু কোথাও এমন দেখা যায়নি যে পুলিশ মেরেছে। যদি কোনো সংবাদ মাধ্যমের কাছে এমন কোনো ভিডিও বা ছবি থাকে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন।” এর মাধ্যমে পুলিশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।