কৃষিকাজে নতুন প্রজন্মকে যুক্ত করতে আলিপুরদুয়ারে শুরু হলো ‘খামার বিদ্যালয়!’

কৃষিকাজে নতুন প্রজন্মকে উৎসাহী করে তুলতে আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন ব্লকে শুরু হয়েছে ‘খামার বিদ্যালয়’। এই স্কুলগুলোতে কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শিখে আরও লাভবান হতে পারেন। কালচিনি ব্লকে ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগ শুরু হয়েছে।
‘খামার বিদ্যালয়ে’ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
কৃষি দফতরের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই বিদ্যালয়গুলোতে এলাকার কোনো একজন অভিজ্ঞ কৃষক প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর পাশাপাশি কৃষি দফতরের আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকছেন। কালচিনি ব্লকের কালকূট বস্তিতে ২৫ জন যুবককে মিলেটের চারা রোপণ থেকে শুরু করে চাষের পদ্ধতি পর্যন্ত সব কিছু শেখানো হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনুর্বর জমিকে কীভাবে চাষের উপযোগী করে তোলা যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হচ্ছে।
আলিপুরদুয়ার মহকুমা সহ কৃষি অধিকর্তা রজত চট্টোপাধ্যায় জানান, “কালচিনি ব্লকে বর্তমানে দুটি খামার বিদ্যালয় রয়েছে। একটি লতাবাড়ির বিশ্বনাথ পাড়ায়, যেখানে ধান চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, এবং অন্যটি কালকূট বস্তিতে, যেখানে মিলেট নিয়ে কাজ চলছে।”
নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ
এই খামার বিদ্যালয় তৈরির মূল উদ্দেশ্য হলো আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে কৃষিকাজের দিকে আগ্রহী করা। কালকূট বস্তির মতো পতিত জমিগুলোকে এই নতুন প্রজন্মের কৃষকরা প্রশিক্ষণ নিয়ে চাষের উপযোগী করে তুলেছেন। আলিপুরদুয়ার মহকুমা সহ কৃষি অধিকর্তা রজত চট্টোপাধ্যায় এবং কালচিনি ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা প্রবোধ কুমার মন্ডলও কৃষকদের সঙ্গে চারা রোপণের কাজে অংশ নেন। এই উদ্যোগের ফলে কৃষিকাজে আরও বেশি মানুষ যুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।