BigNews: ৩৭টি ওষুধের ব্র্যান্ডের দাম বাঁধল কেন্দ্র, জেনেনিন কোন কোন ওষুধের দাম কমছে?

দেশের ক্রনিক রোগীদের জন্য সুখবর। কেন্দ্রীয় সরকার ড্রাগ প্রাইসিং কন্ট্রোল অর্ডার (DPCO) মেনে ৩৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম কমিয়ে দিয়েছে। এই ওষুধগুলো মূলত হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, মানসিক রোগ এবং সাধারণ ব্যথা কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (NPPA) এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

২০১৩ সালের DPCO আইন অনুযায়ী, দেশে উৎপাদিত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম সরকার নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এই নিয়ম লঙ্ঘন করে তাদের ওষুধের দাম বেশি রাখছিল। সরকার এই অনিয়ম ঠেকাতে প্রতিটি ব্র্যান্ডের দামের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দিয়েছে।

নতুন দাম নির্ধারণের ফলে বিশেষ করে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা লাভবান হবেন। যেমন, প্রদাহের ওষুধ অ্যাসিক্লোফিন্যাক প্লাস প্যারাসিটামল প্লাস ট্রিপসিন-কাইমোট্রিপসিন ট্যাবলেটের দাম প্রতি ট্যাবলেটে ১৩ টাকা এবং ১৫.০১ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া কোলেস্টেরল ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধের জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ওষুধ অ্যাটর্ভাস্ট্যাটিন প্লাস ক্লোপিডেগ্রিল কম্বিনেশনের দাম এখন প্রতি ট্যাবলেটে সর্বোচ্চ ২৫.৬১ টাকায় বিক্রি করা যাবে।

শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক সেফিক্সম সিরাপ এবং ভিটামিন ডি-এর কোলিক্যালসিফেরল ড্রপের দামও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ব্যথা কমানোর জন্য ব্যবহৃত ডাইক্লোফিন্যাক ইঞ্জেকশনের দাম প্রতি মিলিলিটার ৩১.৭৭ টাকায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, NPPA-এর নির্দেশ অনুযায়ী এই নতুন দাম মানতে হবে। অন্যথায় ২০১৩ সালের DPCO আইন এবং ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের অধীনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত নেওয়া টাকা সুদসহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হতে পারে।