হুঁশিয়ারির পরে কড়া পদক্ষেপ! ইরান-ইজরায়েল সংঘাতে এবার সরাসরি জড়াল আমেরিকা

প্রকাশ্যে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল আমেরিকা—প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করবে। অবশেষে সেই সতর্কবার্তাকে বাস্তব করে, ইরানের উপর সরাসরি হামলা চালাল ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান একযোগে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায়—ফোরদো, নাতানজ এবং ইসফাহানে—বিস্ফোরক হামলা চালায়। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে প্রবল উত্তেজনা ও আশঙ্কার পরিবেশ।
হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক টুইটে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূর্ণ হওয়ার পরই মার্কিন বোমারু বিমানগুলি ইরানের আকাশসীমা ছেড়ে চলে গেছে। অভিযান সফল বলেই সেনাবাহিনীকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ইরানকে নতুন করে কড়া বার্তাও দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর হুঁশিয়ারি, “শান্তি আলোচনা থেকে যদি পিছু হটে তেহরান, তবে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন জবাব।”
এখন নজর গোটা বিশ্বের—ইরান কী জবাব দেয়? পাল্টা আঘাত হানবে, না কি কূটনৈতিক পথে হাঁটবে? সেই সঙ্গে উঠছে আরেকটি বড় প্রশ্ন—রাশিয়া ও চিনের মতো শক্তিধর রাষ্ট্রগুলি এই পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে দাঁড়াবে কি না।
অন্যদিকে, এই হামলাকে স্বাগত জানিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, “প্রথমে শক্তি, তারপর আসে শান্তি। ট্রাম্পের বিচক্ষণ ও সাহসী পদক্ষেপ ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এমন সিদ্ধান্ত নিতে আর কোনও দেশের ক্ষমতা নেই।”
তবে ইরান সরকার দাবি করেছে, তারা এই ধরনের হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল। বড় কোনও ক্ষতি হয়নি বলেও দাবি তাদের। ইরানের মতে, ফোরদো পারমাণবিক কেন্দ্রের মাত্র দুটি টানেলে আঘাত হেনেছে মার্কিন বিমান, তাও শুধু প্রবেশ ও প্রস্থান পথেই। তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।