“মনে হয়ছে শে*ষ করেদি নিজে কে!”- কাজ না পেয়ে ডিপ্রেশনে ছিলেন সায়ক! নিজেই জানালেন পোস্টে

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভ্লগিংয়ের জগতে পরিচিত নাম সায়ক চক্রবর্তী। তাঁর লক্ষ লক্ষ ভক্ত, ভিডিওতে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ। কঠিন জীবন সংগ্রামের পর নিজের চেষ্টায় তিনি আজ প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে দুটি বড় ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। এই অভিনেতা ও ভ্লগার শুধু যে ‘কনটেন্ট’ তৈরি করেন তাই নয়, বহু অনুরাগীও তার থেকে কনটেন্ট বানানোর প্রেরণা পান। পরিবারকে ঘিরেই তার জগৎ, আর সেই পারিবারিক হাসি-মজা-খুনসুটিই তিনি ভাগ করে নেন সমাজমাধ্যমের পাতায়। তবে, এই প্রাণবন্ত মানুষটিও একসময় চরম হতাশায় ভুগেছিলেন।
সম্প্রতি সায়ক তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে কিছু আবেগঘন কথা শেয়ার করেছেন। তিনি লেখেন, “কারা যেনো কমেন্ট করতে? ‘সিরিয়াল পায়না তাই ভ্লগ করে! কে নেবে ওকে সিরিয়ালে’! তার সব কই? … নিজেকে জিজ্ঞেস করো যে তুমি কতটা নিচে নেমে গিয়েছ যে, এই সব কমেন্ট নির্ধিধায় করতে পারো! রোজ তোমাদের নেগেটিভ কমেন্ট গুলো দেখতাম আর ভাবতাম আমি সত্যি হয়তো কাজ পাবনা, তোমাদের করা কমেন্ট গুলো রাতে শুয়ে পড়তে পড়তে এমন ও আমার মনে হয়ছে শেষ করেদি নিজে কে! কারন আমার যে কাজ নেই… সারাদিন বাড়িতে ডিপ্রেশনে থাকতাম, কাও কে বুঝতে দিতাম না ভেতরে কি চলছে আমার, ভাবো তো যদি সেদিন সত্যি নিজে কে শেষ করেদিতাম…. তাহলে এই দিন টা আসতো?” (মূল পোস্টের বানান অপরিবর্তিত)
নিউজ১৮ বাংলার পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হলে সায়ক স্পষ্ট জানান যে, অভিনয়টা তার কাছে ‘খিদে’। তিনি কখনোই বিরাট কোনো চরিত্র বা বড় পর্দায় অভিনয়ের কথা বলেননি, কিন্তু অভিনয় করে যেতে চেয়েছেন। অভিনয়ই তার জীবনের মূল চালিকাশক্তি। তাই এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য যে কোনো মানুষের মনোবল ভেঙে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট বলে মনে করেন তিনি। তার কথায়, এই ধরনের ট্রোলিং কখনো কখনো মানুষকে চরম সিদ্ধান্তের দিকেও ঠেলে দেয়।
বর্তমানে সায়ক চক্রবর্তী দুটি প্রথম সারির বাণিজ্যিক চ্যানেলের দুটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকে কাজ করছেন। তাকে দেখা যাচ্ছে ‘চিরসখা’ এবং ‘তুই আমার হিরো’ ধারাবাহিকে। পাশাপাশি, তিনি নিয়মিত ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন এবং ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে তাদের কমেন্টের উত্তরও দিচ্ছেন। নেতিবাচক মন্তব্য তার মনোবল ভেঙে দিলেও, সায়ক তার যোগ্য প্রত্যুত্তর দেননি। বরং, নিজের কাজ এবং সাফল্যের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, ‘এভাবেও ফিরে আসা যায়…’।