Gold: সোনার দাম ফের কমল, কতটা কমল দাম? জেনেনিন আজকের Gold Rate কত?

গত এক সপ্তাহে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৬৬০ টাকা বেড়েছে, যার ফলে রাজধানী দিল্লিতে প্রতি ১০ গ্রামের দাম পৌঁছেছিল ৯৮,১২০ টাকায়। একই সময়ে, ২২ ক্যারেট সোনার দামও ৬০০ টাকা বেড়েছে। তবে, ৭ জুন, শনিবার সোনার দামে সামান্য পতন দেখা গেছে। দিল্লিতে ২২ ক্যারেট সোনা ৯১,৪৪০ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনা ৯৯,৭৪০ টাকা প্রতি ১০ গ্রামে বিক্রি হয়েছে, যা শুক্রবারের তুলনায় প্রতি ১০ গ্রামে ২০ টাকা কম। মুম্বাইতেও ২২ ক্যারেট সোনা ৯১,২৯০ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনা ৯৯,৫৯০ টাকা প্রতি ১০ গ্রামে বিক্রি হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন শহরে সোনার দাম (প্রতি ১০ গ্রাম):
- দিল্লি:
- ২৪ ক্যারেট: ৯৮,১২০ টাকা
- ২২ ক্যারেট: ৮৯,৯৫০ টাকা
- মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা, হায়দরাবাদ:
- ২৪ ক্যারেট: ৯৭,৯৭০ টাকা
- ২২ ক্যারেট: ৮৯,৮০০ টাকা
- জয়পুর, লখনউ, চণ্ডীগড়:
- ২৪ ক্যারেট: ৯৮,১২০ টাকা
- ২২ ক্যারেট: ৮৯,৯৫০ টাকা
- আহমেদাবাদ, ভোপাল:
- ২৪ ক্যারেট: ৯৮,০২০ টাকা
- ২২ ক্যারেট: ৮৯,৮৫০ টাকা
সোনা নাকি রুপো? বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ কী বলছে?
Quant Mutual Fund তাদের জুনের প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দিয়েছে যে, আগামী দুই মাসে ডলারের সাপেক্ষে সোনার দাম ১২-১৫ শতাংশ কমতে পারে। তবে, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ক্ষেত্রেই সোনার সম্ভাবনা এখনও ইতিবাচক। অন্যদিকে, আমেরিকান কোম্পানি মর্নিং স্টারের বিশ্লেষক জন মিলস এর আগে বলেছিলেন যে আগামী কয়েক বছরে সোনার দাম ৩৮ শতাংশ কমতে পারে। মিলসের এই অনুমানের পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো সোনার অতিরিক্ত সরবরাহ।
সোনার দাম কমার সম্ভাব্য কারণ:
সোনার দাম কমার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। মূলত, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামা সরাসরি ভারতের বাজারে প্রভাব ফেলে। এছাড়াও, ভারতীয় রুপির মূল্য বৃদ্ধি এবং বিশ্ব অর্থনীতির কিছুটা স্থিতিশীলতা সোনার দামে এই সামান্য পতন ঘটাতে সাহায্য করছে। সাধারণত ঋতুবদল, ঋণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনও সোনার দামে প্রভাব ফেলে।
রুপোর রেকর্ড উড়ান!
সোনার পাশাপাশি দ্বিতীয় মূল্যবান ধাতু রুপোর দামেও এক সপ্তাহের মধ্যে ৭১০০ টাকা বৃদ্ধি ঘটেছে। ৮ জুন, রুপো প্রতি কেজিতে ১,০৭,০০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা রুপোর ইতিহাসে একটি রেকর্ড সর্বোচ্চ। পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুনের শেষ নাগাদ রুপোর দাম প্রতি কেজি ১,৩০,০০০ টাকায় পৌঁছতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা সোনার পাশাপাশি রুপোর দিকেও ঝুঁকছেন, কারণ রুপোর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ লাভের হাতছানি দিচ্ছে। তবে, সার্বিকভাবে এই মূল্যবান ধাতুগুলির বাজারে অস্থিরতা বজায় রয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতা এবং বিনিয়োগকারী উভয়কেই সতর্ক থাকতে বাধ্য করছে।