কুড়ি মিনিটেই সর্বনাশ…! বাড়ি ফিরে হাহাকার পরিবারের, দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে

চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই ফাঁকা বাড়ি সাফ! মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে কোন্নগরের চক্রশ্রী ক্লাব এলাকায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিলেকোঠার দরজা হাট করে খুলে, আলমারির লকার ভেঙে লক্ষাধিক টাকার গহনা ও নগদ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীর দল। ভর সন্ধ্যায় এমন ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঘটনার সূত্রপাত, যখন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শ্যামল দে সরকার সন্ধ্যায় বাড়িতে ছিলেন না। স্ত্রী সুমিতা দেবী ছেলেকে পড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন, সময়টা মেরেকেটে ২০ মিনিট। ফিরে এসে শ্যামলবাবু দেখেন, তাদের ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। কোনোমতে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকেই চক্ষু চড়কগাছ! আলমারি লণ্ডভণ্ড, লকার ভাঙা, আর নেই সেই সাধের গহনা, নেই জমা করা নগদ টাকা।

দে সরকার দম্পতির অভিযোগ, কোন্নগর ফাঁড়ির পুলিশের ঢিলেঢালা মনোভাবের জেরেই এমন দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটছে। তাদের স্পষ্ট অভিযোগ, এলাকায় রমরমিয়ে মদের ঠেক আর জুয়ার আসর চললেও, পুলিশ যেন দেখেও না দেখার ভান করে।

স্থানীয় প্রতিবেশীরাও একই সুরে সুর মিলিয়েছেন। তাদের দাবি, এলাকায় সমাজবিরোধীদের অবাধ আনাগোনা, আর পুলিশের নীরবতাতেই চোরদের সাহস বাড়ছে। এমনকি, পুলিশের ‘তোলাবাজি’র অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ, যার ফলে দুষ্কৃতীরা নাকি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে, আর পুলিশ কোনও চুরির কিনারা করতে পারছে না।

মাত্র ২০ মিনিটের অনুপস্থিতিতে এমন সর্বস্বান্ত হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। প্রশ্ন উঠছে, জনবহুল এলাকায় ভর সন্ধ্যায় এমন দুঃসাহসিক চুরির পেছনে কারা? আর কেনই বা স্থানীয় পুলিশ নির্বিকার? উত্তর খুঁজছে ভুক্তভোগী পরিবার, উত্তর খুঁজছে আতঙ্কিত কোন্নগরের বাসিন্দারা।