Weather: বাংলায় ঢুকে গেল বর্ষা, ৬ জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’; জেনেনিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

অবশেষে বঙ্গে প্রবেশ করলো বর্ষা! আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে যে, গতকাল, ২৯শে মে, ২০২৫ বৃহস্পতিবার, সাব-হিমালয়ান সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে বর্ষা ঢুকেছে। এর ফলে উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচটি জেলা সহ দক্ষিণ দিনাজপুরেও বর্ষার আগমন ঘটেছে। তবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা কবে প্রবেশ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গে স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে।

গতকাল থেকেই বঙ্গে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আজ, ৩০শে মে থেকে ৫ই জুন পর্যন্ত স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। যদিও এটি দক্ষিণবঙ্গের বর্ষার বৃষ্টি নয়। আগামী এক সপ্তাহে প্রতিটি জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস
উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী তিন দিন প্রবল বৃষ্টিপাত হবে। ফলে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার, ৩০শে মে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সাথে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিস্থিতি
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। সুন্দরবন ও দিঘার উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ, শুক্রবার, ঝড়বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে। উপকূলের সব জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে, সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

৩০শে মে, শুক্রবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?
৩০শে মে, শুক্রবার, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলার এক বা দুটি স্থানে ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের গাঙ্গেয় জেলার বাকি এক বা দুটি স্থানে ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে বজ্রপাত, বিদ্যুৎ চমকানো এবং ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।