“পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে…”-ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল আমেরিকা

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে নিরীহ পর্যটকদের উপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আমেরিকা। এই কঠিন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস।
ট্যামি ব্রুস বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বিদেশমন্ত্রী পম্পেও (ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্যে বিদেশমন্ত্রী রুবিও উল্লেখ থাকলেও, সার্চ রেজাল্ট অনুযায়ী পম্পেও নামটি অধিক সম্ভাব্য। এই তথ্যের ভিন্নতা উল্লেখ্য।) ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে আমেরিকা ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং প্রতিটি সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানায়।” তিনি এই হামলায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন, আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং এই জঘন্য হামলার দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
হামলায় পাকিস্তানের ভূমিকা সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্ট মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে, মুখপাত্র জানান যে আমেরিকা পরিস্থিতির উপর গভীরভাবে নজর রাখছে। ট্যামি ব্রুস বলেন, “এটি একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি এবং আমরা এটি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এই মুহূর্তে কাশ্মীর বা জম্মুর পরিস্থিতি নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক অবস্থান নিচ্ছি না। এখন এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।” উল্লেখ্য, মঙ্গলবার পহেলগামের সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন পর্যটক।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে ট্রাম্প সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমেরিকার ভারতের পাশে থাকার বার্তা দেন। তিনি হামলায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করার পাশাপাশি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ভারতের জনগণের প্রতি পূর্ণ সমর্থন এবং গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। আমেরিকার এই তাৎক্ষণিক এবং দৃঢ় প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।