রাতে বিয়ে, সকালে মর্নিং ওয়াক! ইকোপার্কে দিলীপের ‘জন্মদিন’ পালন, কেক কাটলেন সকলের সাথে

রাতে বিয়ের পর সকালে মর্নিং ওয়াক! রীতিমতো ছন্দে দিলীপ ঘোষ। এদিন নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে নিজের জন্মদিন পালন করলেন।
শনিবার সকালে ইকোপার্কে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে উৎসাহী প্রাতঃভ্রমণকারীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই তাঁকে বিয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান, ফুল উপহার দেন। জন্মদিনের জন্যও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল। কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন দিলীপ ঘোষ।
রিঙ্কু মজুমদার সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন, “রিঙ্কু মজুমদারের সঙ্গে আগেই আলাপ ছিল। উনি পুরনো পার্টি কর্মী। রাজনীতিতে উনি ২০১২ সালে এসেছেন। আমি এসেছি ২০১৫ সালে। বিয়ে করার ব্যাপারটা হঠাৎই এসেছে, আর সেটা পরিস্থিতির কারণে। আর সেটা হয়েও গেছে যথা সময়ে।”
ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়েই দিলীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর আলাপ, এমন জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “অনেকে ভাবছে ইকোপার্কে হাঁটলেই বিয়ে হয়। সারা জীবন হাঁটলেও বিয়ে হবে না। বিয়ে যখন হওয়ার তখনই হবে।”
নিজের জন্মদিন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “লোকেরা বড় বড় হল নিয়ে, স্টেডিয়াম নিয়ে জন্মদিন পালন করে, আর আমি খোলা মাঠে করি। আর লোকেরা রাতের বেলা কেক কাটে, আমি ভোরের বেলা কেক কাটলাম। এখানে বুঝে নিতে হবে দিলীপ ঘোষ দিলীপ ঘোষ।”
মুর্শিদাবাদের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আদালতের নির্দেশে বিএসএফ নেমেছে। আমরা কোর্টে আবেদন করেছিলাম, বিএসএফ অফিসিয়ালি বিএসএফ দিয়েছে। এখন যদি বিএসএফ সব জায়গায় যায়, তাহলে পুলিশ কী করতে আছে? বিএসএফ পুলিশের কাজ করবে, এলাকার জায়গায় জায়গায় বিএসএফ ক্যাম্প করতে হচ্ছে। তাহলে পুলিশ কী করছে? মমতা ব্যানার্জির সরকার কী করছে? তাহলে আমরা যেটা দাবি করেছিলাম ৩৫৫, ৩৫৬ সেটাই লাগু করা হোক।”
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ে সারেন দিলীপ ঘোষ। দুই পরিবারের সদস্যরাই মূলত উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিতের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩০। বিয়ের পর রাতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি সকলের কাছে আশীর্বাদ চান।
৬১ বছর বয়সি দিলীপ ঘোষ এবং ৫১ বছর বয়সি রিঙ্কু মজুমদারের বিয়ে নিয়ে গত দু’দিন ধরে রাজ্য জুড়ে চর্চা চলছে। কেউ কটাক্ষ করেছেন, আবার কেউ দিলীপ ঘোষের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।