কলকাতার ৬৮টি দোকানে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি, কড়া পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্র দফতরের!

নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ব্লাড প্রেশার, হাঁপানি এমনকি ক্যানসারের ওষুধ বিক্রির অভিযোগ উঠল রাজ্যের একাধিক ওষুধের দোকানে। স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশে এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মার্চ মাস জুড়ে কলকাতার ৬৮টি দোকানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছিল। বেশি দামে ওষুধ বিক্রির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়েই এই তথ্য এসেছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের হাতে।
সূত্রের খবর, ক্যান্সারের ওষুধ থেকে শুরু করে হাঁপানির ওষুধ, প্রেসারের ওষুধ সহ একাধিক জরুরি ওষুধ বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটিকে (National Pharmaceutical Pricing Authority) বিষয়টি জানিয়েছে। এরপরেও যদি কোনও দোকানে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি করা হয়, তবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাথরপ্রতিমায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় চার শিশুর মৃত্যুর পর রাজ্য প্রশাসন আরও কঠোর হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ওষুধের দামের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, শুধু কলকাতাই নয়, জেলার বিভিন্ন ওষুধের দোকানেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কিনা, সেই বিষয়েও নজরদারি চালানো এবং প্রয়োজনে অভিযান চালানোর জন্য স্বাস্থ্য দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নের কর্তারা এই বিষয়ে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
ওষুধের মতো জরুরি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। এর ফলে মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র মানুষজন ন্যায্য দামে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে সক্ষম হবেন।