এক সপ্তাহ হতে চলল বেলগাছিয়ার ভাগাড় বিপর্যয়ের”, কেঁদে কুল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী, কাতর আর্জি মমতার কাছে

ভাগাড়ের পাইপলাইন ফেটে সৃষ্ট ভূমিধসের এক সপ্তাহ পরেও নরকযন্ত্রণা ভোগ করছেন হাওড়ার বেলগাছিয়া এলাকার বাসিন্দারা। ভেঙে পড়া বাড়ি, নোংরা জলের হানায় স্থানীয়দের জীবন যেন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের জরুরি বৈঠক সত্ত্বেও এখনও সুনির্দিষ্ট সমাধান মেলেনি।

এলাকার বর্তমান চিত্র:

✔ ভূমিধসের ভয়াবহতা: রাস্তা উপরে উঠে যাওয়া, বাড়ির ভিত্তি ধসে যাওয়া
✔ মৌলিক সুবিধাহীনতা:

  • বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
  • খাবার জলের সংকট (পুরসভার ট্যাঙ্কারে নির্ভরশীল)
  • ৫০+ পরিবার রাস্তায় অস্থায়ী আশ্রয়ে
    ✔ স্বাস্থ্যঝুঁকি: পচা নোংরা জলে ডায়রিয়া, চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া:

  • পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম: “বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প ব্যবস্থা ও পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে”
  • বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী: “প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রকাশ্য” বলে অভিযোগ
  • স্থানীয়দের দাবি: মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন

প্রস্তাবিত সমাধান:

  1. বর্জ্য স্থানান্তর: হুগলির বৈদ্যবাটি দীর্ঘাঙ্গীতে নতুন ব্যবস্থা
  2. পুনর্বাসন: খালি জমি চিহ্নিত করে আবাসনের ব্যবস্থা
  3. তাত্ক্ষণিক ত্রাণ:
    • খাদ্য ও জলের নিশ্চয়তা
    • মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন

স্থানীয়দের আর্তনাদ:

“বাচ্চাদের নিয়ে রাস্তায় ঘুমোতে হচ্ছে। মাথা গোঁজার ঠাই নেই। সরকার কবে আমাদের দেখবে?”
— রিনা দাস, ভুক্তভোগী

#BelgachhiaDisaster #HowrahCrisis #WestBengal

বিশেষজ্ঞ মত: “ভাগাড়ের নকশা ও রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতিই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ,” — ড. সৌমিত্র চক্রবর্তী, নগর পরিকল্পনাবিদ

📌 পরবর্তী পদক্ষেপ:

  • ২৮ জুনের মধ্যে ত্রাণ তদারকি কমিটি গঠন
  • ১৫ দিনের মধ্যে পুনর্বাসন পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ

সতর্কতা: ভূমিধসের আরও আশঙ্কায় ২০০ মিটার ব্যাসার্ধে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।