রামনমবী ঘিরে আবারও সরগরম রাজ্যরাজনীতি’, উৎসব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর

রামনবমী উদযাপনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সমস্ত প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই উৎসব পালিত হবে। আগামী ৬ এপ্রিল রামনবমী উপলক্ষে রাজ্যে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্যে রামনবমী উদযাপনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। রামনবমীর উৎসব প্রোটোকল মেনেই হবে। নতুন কোনও ফর্ম ফিল-আপের প্রয়োজন নেই। আমরা আইনি সুরক্ষা দেব। সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে বলছি।” তিনি আরও জানান, যদি রাজ্য প্রশাসন সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ব্যবহার করে রামনবমীর মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে, তাহলে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। শুভেন্দুর বক্তব্য, “আমরা রাস্তায় থাকব, মিছিলে নেতৃত্ব দেব।”

অন্যদিকে, ২০২৩ সালের রামনবমীর সময় হুগলি, হাওড়া এবং উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, শাসক দল এবং প্রশাসন বজরং দল ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ওপর দায় চাপিয়ে নিজেদের দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা হিন্দু ধর্মের পক্ষে অবমাননাকর।

এদিকে, মঙ্গলবার বিধানসভায় হাজির হন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বিরোধী দলনেতা ও দলের বিধায়কদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “পার্টির নেতারা যা ঠিক মনে করবে সেই সিদ্ধান্তই গ্রহণ করা হবে। তবে যদি আমাকে নতুন কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে আমি তা পালন করতে প্রস্তুত।” একইসঙ্গে তিনি দলে নতুন মুখ তুলে আনার পক্ষে মত দেন। তাঁর মতে, বিজেপির ভিতকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন নেতাদের অংশগ্রহণ জরুরি।