“AC-ব্যবহারের ৫ মোক্ষম টিপস”-যা বিদ্যুতের বিল কমিয়ে দেবে অনেকটাই , জেনেনিন বিস্তারিত

শীতের মৌতাত শেষ। বাতাসে এখন বসন্তের ছোঁয়া। তাপমাত্রা যত বাড়ছে, এসির প্রয়োজনীয়তাও ততই বেড়ে চলেছে। কিন্তু দিনরাত এসি চালালে বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ দেখে অনেকেরই মাথায় হাত। তবে চিন্তার কিছু নেই! কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে এসি চালিয়েও বিদ্যুৎ বিল কম রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই এমন ৫টি কার্যকর উপায়, যা আপনার পকেটের উপর চাপ কমাবে।

১. ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন, বিদ্যুৎ বাঁচান

এসির ফিল্টারে ময়লা জমে থাকলে ঘর ঠান্ডা হতে বেশি সময় লাগে। এতে বিদ্যুৎও বেশি খরচ হয়। ফিল্টার নিয়মিত ঝেড়ে পরিষ্কার করুন বা প্রয়োজনে নতুন ফিল্টার লাগান। এতে এসির শক্তি খরচ প্রায় ১৫ শতাংশ কমে যাবে এবং বিদ্যুৎ বিলও কমবে।

২. তাপমাত্রা সঠিক রাখুন

এসির তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে না রেখে ২৩-২৪ ডিগ্রিতে সেট করুন। এই তাপমাত্রায় ঘর আরামদায়ক থাকবে এবং বিদ্যুৎ খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অতিরিক্ত ঠান্ডা করার চেষ্টা না করে এই কৌশলটি ব্যবহার করুন।

৩. ঘর বন্ধ রাখুন, তাপ বাইরে রাখুন

এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখা জরুরি। এতে ঠান্ডা বাতাস বাইরে যাবে না এবং ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে। একই সঙ্গে টিভি, ফ্রিজ বা কম্পিউটারের মতো তাপ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এগুলো ঘরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে এসির উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে।

৪. ফ্যানের সঙ্গে এসি চালান

এসি চলাকালীন সিলিং ফ্যান চালু রাখলে ঠান্ডা বাতাস ঘরের সব কোণে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এসির তাপমাত্রা বেশি কমাতে হয় না এবং কম শক্তিতেই ঘর ঠান্ডা থাকে। ফলে এসি কম সময় চালালেও কাজ হয়ে যায়, আর বিদ্যুৎ বিলও কম আসে।

৫. রাতে এসি বন্ধ করুন

সারাদিন এসি চালানোর পর রাতে তাপমাত্রা কমে গেলে এটি বন্ধ করে দিন। রাতে প্রাকৃতিক বাতাসে ঘর ঠান্ডা রাখা সম্ভব। দীর্ঘ সময় এসি চালানোর পরিবর্তে এই কৌশল ব্যবহার করলে শক্তি সাশ্রয় হবে এবং বিলও কমবে।

শেষ কথা

গরমে আরামে থাকতে এসি ব্যবহার করুন, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনার সঙ্গে। এই সহজ কৌশলগুলো মেনে চললে দিনরাত এসি চালিয়েও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে টেনশন করতে হবে না। তাহলে আর দেরি কেন? এই গরমে এসি চালান আর পকেটের হালকা ভার নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকুন!