মহামেডানের বিরুদ্ধে জয় হলো হাত ছাড়া”, মনোসংযোগের অভাব নিয়ে ক্ষোভ পঞ্জাব কোচ

কলকাতার মাঠে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের পর মহামেডান এসসি ও পঞ্জাব এফসি ২-২ গোলে ম্যাচ ড্র করেছে। পঞ্জাব এফসি প্রথমার্ধে দুই গোলের লিড নিলেও, দ্বিতীয়ার্ধে মহামেডান এসসি ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফেরায়। ম্যাচ শেষে দলের প্রধান কোচ পানাজিওটিস ডিলম্পেরিস খেলোয়াড়দের মনোসংযোগের অভাবকেই দায়ী করেছেন।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রথমার্ধের শুরুতেই, ম্যাচের নবম মিনিটে ইজেকুয়েল ভিদালের গোল পঞ্জাব এফসিকে এগিয়ে দেয়। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও দু’দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে ব্যর্থ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে লুকার গোলে পঞ্জাব তাদের লিড আরও বাড়িয়ে নেয়। তবে, মহামেডান এসসি লড়াই চালিয়ে যায় এবং মার্ক আন্দ্রে শমারবোক ও রবি হাঁসদার দুর্দান্ত দুই গোলের মাধ্যমে ম্যাচ সমতায় নিয়ে আসে।
কোচের প্রতিক্রিয়া ম্যাচের পরে প্রেস কনফারেন্সে কোচ পানাজিওটিস ডিলম্পেরিস বলেন, “আমরা প্রচুর সুযোগ তৈরি করেছিলাম, কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়রা মনে করেছিল যে ম্যাচটি শেষ হয়ে গেছে। তাদের মনোসংযোগ হারানোর কারণেই প্রতিপক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে দুটি গোল করতে পেরেছে।” তিনি আরও বলেন, “ডিফেন্সিভ পারফরম্যান্সে আরও উন্নতি দরকার, বিশেষত তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য। তারা আরও অভিজ্ঞতা অর্জন করলে ভবিষ্যতে এই ধরনের ভুল কম হবে।”
পঞ্জাব এফসির পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এই ড্রয়ের পর পঞ্জাব এফসি মরসুম শেষ করেছে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে, যা ৮টি জয় এবং ৪টি ড্র থেকে এসেছে। কোচ ডিলম্পেরিস উল্লেখ করেছেন, “এই মরসুমে আমাদের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়েছিল, বিশেষ করে ফিলিপ এবং ইভান। তাদের অভাব আমাদের পারফরম্যান্সে বড় প্রভাব ফেলেছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আগামী মরসুমে আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। কোনো খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়লে, আমাদের বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখতে হবে। আমরা নির্দিষ্ট একটি বা দুটি খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করতে পারি না।”
এই ম্যাচের মাধ্যমে মহামেডান এসসি এবং পঞ্জাব এফসি দু’দলই নতুন মৌসুমের জন্য নিজেদের ভুলত্রুটিগুলো পর্যালোচনা করতে পারবে। এখন দেখার বিষয়, দলগুলো কীভাবে নিজেদের ভবিষ্যতের পরিকল্পনা সাজিয়ে নেয়।