বিশেষ: ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস, জেনেনিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনে নিয়ম ও বিধিনিষেধ

ভারতের আইন অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা খাদি কাপড়ে তৈরি করতে হয়। এটি এক বিশেষ ধরনের হস্তচালিত তাঁত অথবা রেশমি কাপড় যেটির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে মহাত্মা গান্ধী বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। ভারতীয় মানক ব্যুরো কর্তৃক জাতীয় পতাকা উৎপাদনের পদ্ধতি ও নির্দিষ্ট শর্তাবলি নির্ধারিত হয়। উৎপাদনের অধিকার খাদি উন্নয়ন ও গ্রামীণ শিল্প কমিশনের হাতে ন্যস্ত। এই কমিশনই বিভিন্ন আঞ্চলিক গোষ্ঠী উৎপাদনের স্বত্ব প্রদান করে থাকে। ২০০৯ সালের তথ্য অনুযায়ী, কর্ণাটক খাদি গ্রামোদ্যোগ সংযুক্ত সংঘ ভারতের একমাত্র জাতীয় পতাকা উৎপাদনকারী সংস্থা।

জাতীয় পতাকার ব্যবহার ভারতীয় পতাকাবিধি ও জাতীয় প্রতীক-সংক্রান্ত অন্যান্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। পুরনো বিধি অনুযায়ী স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো জাতীয় দিবসগুলি ছাড়া অন্য দিনে সাধারণ নাগরিকেরা জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারতেন না। ২০০২ সালে ভারতীয় নাগরিক নবীন জিন্দলের আপিলের ভিত্তিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভারত সরকারকে সাধারণ নাগরিকদের জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য পতাকাবিধি সংশোধনের নির্দেশ দেয়।

পতাকা উত্তোলনের রয়েছে তাই কিছু নিয়ম ও বিধি নিষেধ-

জাতীয় পতাকা কখনোই মাটিতে ফেলে রাখা উচিত নয়। এরফলে জাতীয় পতাকার অপো,ম্যান করা হয়।

জাতীয় পতাকার মাঝে কোনোরকম দাগ বা অক্ষর লেখা উচিত নয়।

ভারতের জাতীয় পতাকা হতে হবে হাতে কাটা এবং বোনা তুলো,সিল্ক ও খাদি দিয়ে।

জাতীয় পতাকার যে মডেল দেওয়া রয়েছে তার বাইরে পতাকার বিকৃতি ঘটিয়ে পতাকা উত্তোলন করা নিষিদ্ধ।

জাতীয় পতাকা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবেনা। এছাড়াও জাতীয় পতাকা ইউনিফর্ম হিসেবেও ব্যবহার করা যাবেনা।