মানুষ নাকি সচেতন হচ্ছে? দিন বদলায় কিন্তু বদলায় না চিত্র, শব্দদৈত্যের তাণ্ডবে ঝালাপালা কান

আদালতের নিষেধাজ্ঞা, সরকারি নির্দেশিকা সত্ত্বেও কলকাতায় দীপাবলিতে শব্দবাজির প্রবল তাণ্ডব চলেছে। বছরের পর বছর এই চিত্র একই রকম। প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও শব্দদূষণ রুখতে ব্যর্থ হয়েছে।

কী ঘটেছে?
কালীপুজোর রাত ৮টা পর্যন্ত শহরের কিছু এলাকায় বাজির শব্দ কম শোনা গেলেও, এরপর থেকেই শুরু হয় শব্দবাজির প্রবল তাণ্ডব। শুধুমাত্র সবুজ বাজি নয়, চকলেট বোম, শটস, কালীপটকা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের শব্দবাজি ফোটানো হয়েছে।শব্দের মাত্রা নির্ধারিত সীমার অনেক বেশি ছিল। বাগবাজারে রাত ৯টায় শব্দের মাত্রা ছিল প্রায় ৮৫ ডেসিবেল, যা অনেক বেশি।

হাসপাতালের আশেপাশেও শব্দবাজি ফোটানো হয়েছে, যা রোগীদের জন্য কষ্টকর। পুলিশ শব্দবাজি রোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে।শহরের বিভিন্ন রাস্তায় প্রকাশ্যে শব্দবাজি বিক্রি হয়েছে।

এর ফলাফল:
শব্দ দূষণের কারণে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।শব্দবাজি ফোটানোর ফলে বায়ু দূষণও বাড়ে।শব্দবাজির কারণে অনেকের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, যার ফলে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে।

কী করা উচিত?
সরকারকে শব্দবাজি নিষিদ্ধ করার জন্য আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।পুলিশকে শব্দবাজি রোধ করার জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।মানুষকে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।দীপাবলিকে শব্দবাজি ছাড়া অন্য উপায়ে উদযাপন করার জন্য উৎসাহিত করতে হবে।

দীপাবলি উদযাপনের নামে শব্দ দূষণ করা অন্যায়। আমাদের সকলকে মিলে এই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে।