বাংলায় সিভিক সংখ্যা কত? কী ভাবে নিয়োগ?- রাজ্যর কাছে ৬টি প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরেকবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। এই মামলার মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। এই ঘটনার পর থেকেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারকে কড়া সমালোচনা করেছে। আদালতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানতে চেয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে কতজন সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছে, তাদের যোগ্যতা কী এবং তাদের নিয়োগের পদ্ধতি কী?

আরজি কর মামলার মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। এই ঘটনার পর থেকে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। সুপ্রিম কোর্টের মতে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগে যথাযথ যোগ্যতা বিচার করা হয় না এবং অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যে, তারা সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দিতে হবে। এই তথ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে:

পশ্চিমবঙ্গে মোট কতজন সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছে?
তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
কোন আইনের অধীনে তাদের নিয়োগ করা হয়?
তাদের বেতন কত?
কোথায় কোথায় তারা কাজ করেন?

থানা, স্কুল, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়াররা কর্তব্যরত থাকে কি না?

কেন এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

সিভিক ভলান্টিয়াররা আমাদের সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। আরজি কর মামলার মতো ঘটনা থেকে আমরা শিখতে পারি যে, যদি সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগে কোনও গরমিল হয়, তাহলে তা সমাজের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।