“সকালে ভিড় জমে যাওয়ার পরেও কেন সেমিনার রুম বন্ধ ছিল ?”- প্রশ্ন চিকিৎসকদের

“আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক হত্যা মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেও লালবাজারের তদন্তে তেমন অগ্রগতি না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ছিল। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে।

সিবিআই তদন্ত শুরু করার আগে লালবাজার হাসপাতালের ৩৭ জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল, যার মধ্যে হাসপাতালের সুপারও ছিলেন। তবে সুপার উপস্থিত হননি। পুলিশের দাবি, রাতে ঘটনাস্থলে কেউ আসেনি বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। কিন্তু মৃত চিকিৎসকের ফোন রেকর্ডে এই দাবির বিপরীত কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশের দাবি, রাত দুটো থেকে তিনটে অর্থাৎ একঘণ্টায় মোট দু’বার ওই তরুণীকে ডাকতে এসেছিলেন অন্য চিকিৎসকেরা। কিন্তু ওই সময়ে তিনি ঘুমোচ্ছিলেন বলে দুই চিকিৎসক-ই তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, রাত ২টো ৩৫ মিনিট নাগাদ এক পরিচিতের পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের উত্তরও দিয়েছিলেন ওই তরুণী। ফলে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় সময়ের ব্যবধান নিয়ে বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে।

সেমিনার রুম কেন বন্ধ ছিল?
সাধারণ ভাবে সকাল ৭টার পর থেকে রোগীদের ভিড় জমতে শুরু করে সেমিনার রুমের আশপাশে। কিন্তু শুক্রবার সকালে ভিড় জমে যাওয়ার পরেও কেন সেমিনার রুম বন্ধ ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

সিসিটিভি ফুটেজ, ডিএনএ রিপোর্ট, এবং মোবাইল ফোন রেকর্ডগুলি এখন সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআই এই তথ্যগুলি বিশ্লেষণ করে এবং নতুন করে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত চালাবে।