OMG! একই পরিবারের দুই বোনের আধার নম্বর এক? ৮ বছরেও হয়নি সমাধান

দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি ব্লকের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে অবাসকারী জয়শ্রী বিজলি ও বনশ্রী বিজলি, দুই বোন একই আধার নম্বরের ভুক্তভোগী। ২০১৩ সালে ছোট বোন বনশ্রীর আধার তৈরি হয়, এবং ২০১৭ সালে বড় বোন জয়শ্রীর। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করে আসছেন, কিন্তু এখনও কোনও সুরাহা মেলেনি।
এই একই আধার নম্বর তাদের জীবনে নানা সমস্যা এনে দিয়েছে। সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হওয়া ছাড়াও, বনশ্রীর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কলেজে ভর্তি হতেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
সমস্যার প্রভাব:
সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চনা: একই আধার নম্বরের কারণে, দুই বোনের মধ্যে একজন সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে করোনা ভ্যাকসিন, রেশন কার্ড, এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
কলেজে ভর্তির ঝুঁকি: ছোট বোন বনশ্রী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু একই আধার নম্বর থাকায় কলেজে ভর্তি হতে সমস্যায় পড়ছেন।
মানসিক অসুবিধা: দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দুই বোন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সমাধানের চেষ্টা:
গত সাত বছর ধরে বিভিন্ন সরকারি দফতরে ঘুরেও সমাধান পায়নি।কলকাতা ও রাঁচিতেও আধার নম্বর পরিবর্তনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ।
আবেদন:
জয়শ্রী ও বনশ্রী দ্রুত সমাধানের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। তাদের আধার নম্বর সংশোধন করে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ও শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছেন।