কুয়েতের অগ্নিকাণ্ডে মর্মাহত মুখ্যমন্ত্রী, বাংলার মানুষদের জন্য দিলেন বড় নির্দেশ

কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলীয় আহমাদি গভর্নরেটের মানগাফ এলাকায় বহুতল আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শ্রমিকদের আবাসন কাজের জন্য ব্যবহৃত ওই ভবনের অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন আরও অর্ধ-শতাধিক। নিহতদের মধ্যে ৪০ জনই ভারতীয় নাগরিক বলে খবর দিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, বুধবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে মানগাফ এলাকার ছয় তলা ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় সকাল ৬টার দিকে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আইদ রাশেদ হামাদ।

কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুলিশের জ্যেষ্ঠ এক কমান্ডার বলেছেন, ‌‌‘‘যে ভবনটিতে আগুন লেগেছে সেটি শ্রমিকদের জন্য ব্যবহার করা হতো। অগ্নিকাণ্ডের সময় সেখানে অনেক শ্রমিক ঘুমিয়ে ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েক ডজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অগ্নিকাণ্ডে অনেকে মারা গেছেন।’’

এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমবেদনা জানিয়ে বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘কুয়েতের মানগাফ শহরের অগ্নিকাণ্ডে আমরা শোকাহত। এই ঘটনায় যাঁরা নিজেদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমাদের সমবেদনা রয়েছে। আমরা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। কুয়েতের ভারতীয় দূতাবাস গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিপর্যস্তদের সহায়তার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।’

এক্স হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘কুয়েতের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে জেনে গভীরভাবে মর্মাহত, যাতে ইতিমধ্যেই ৪০ জনেরও বেশি প্রাণ গিয়েছে। শোকাহত পরিবারের প্রতি রইল আমার সমবেদনা। আমি কুয়েতে থাকা পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের সুস্থতা সম্পর্কে জানতে এবং জরুরি ভিত্তিতে সমস্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমার মুখ্য সচিব এবং দিল্লির আবাসিক কমিশনারকে বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।’