SPORTS: বিশ্বকাপে গ্লাভস হাতে ধোনির রেকর্ড ভাঙবেন কে? জেনেনিন কে এগিয়ে?

উইকেরটরক্ষকদের ভূমিকা সেভাবে আলোচনায় আসে না ক্রিকেটে। কিন্তু উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন তারা। এজন্য উইকেটরক্ষকের পারফরম্যান্সও কখনো কখনো হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে রেকর্ডবুকে সবচেয়ে বেশি ডিসমিশাল কোন উইকেটরক্ষকের নামের পাশে?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত হওয়া সাত আসরে সবচেয়ে বেশি ডিসমিশাল মাহেন্দ্র সিং ধোনির। সবশেষ দুই আসরে খেলেননি তিনি। তবে আগের পাঁচ আসরে ৩৩ ম্যাচে ৩২টি ডিসমিশাল ছিল তার। এর মধ্যে ২১টি ক্যাচের সঙ্গে ১১টি স্টাম্পিং করেছেন ধোনি। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে অধিনায়কত্ব করে একবার দেশকে জিতিয়েছেন বিশ্বকাপের শিরোপাও।

তালিকার দুইয়ে আছেন পাকিস্তানের কামরান আকমল। তিনিও দেশটির বিশ্বকাপজয়ী দলের অংশ ছিলেন। ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত খেলা বিশ্বকাপে ৩০ ম্যাচ খেলে ৩০টি ডিসমিশাল করেছেন আকমল। উইকেটের পেছনে তিনি ক্যাচ নিয়েছেন ১২টি, স্টাম্পিং ছিল ১৮টি।

তিন নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিনেশ রামদিন। তিনিও বিশ্বকাপ জিতেছেন দেশের হয়ে। ২৯ ম্যাচে ২৭টি ডিসমিশাল তার, ১৮ ক্যাচ ও ৯টি স্টাম্পিং তার। চারে থাকা কুমার সাঙ্গাকারার ৩১ ম্যাচে ডিসমিশাল ২৬টি, তিনি আছেন চার নম্বরে।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যাবেন, এমন উইকেটরক্ষকদের মধ্যে সেরা পাঁচে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক। ১৮ ম্যাচ খেলে ২২টি ডিসমিশাল তার। ডি ককের পরের নামটিই বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিমের। ৩৩ ম্যাচে ১৯টি ডিসমিশাল তার, এর মধ্যে ১০টি ক্যাচ ও ৯টি স্টাম্পিং।

এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ডিসমিশাল অবশ্য এবি ডি ভিলিয়ার্সের। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় হওয়া বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে ৯টি ডিসমিশাল ছিল তার। এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ডিসমিশাল অ্যাডাম গিলক্রিস্টের। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪টি ডিসমিশাল ছিল তার।