নাবালক নয়, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বাড়ির ড্রাইভার, পুনে পোর্শেকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়!

২০০ কিলোমিটার বেগে বিখ্যাত রিয়েলটরের ১৭ বছরের নাবালক ছেলে, মদ্যপান করে ঝড়ের গতিতে পোর্শে গাড়ি চালিয়ে মোটরবাইকে ধাক্কা মারে।মোটরবাইকের দুই সওয়ারি প্রায় ২০ ফুট উড়ে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায়।১৫ মিনিটের মধ্যে নাবালককে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই সে জামিন পেয়ে যায়।
১৫ দিন ইয়েরওয়াড়ায় ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করতে হবে।দুর্ঘটনা নিয়ে ৩০০ শব্দের রচনা লিখতে হবে।মদের নেশা ছাড়াতে ট্রিটমেন্ট এবং কাউন্সেলিং করাতে হবে।
তবে এবার এই ঘটনায় নয়া মোড়। পুনের আগরওয়াল পরিবারের গাড়িচালককে বৃহস্পতিবার দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তাঁর স্বীকারোক্তি, দুর্ঘটনার মুহূর্তে গাড়িটি তিনিই চালাচ্ছিলেন। অভিযুক্ত নাবালকের বাবা বিশাল আগরওয়ালেরও বক্তব্য, বাড়ির গাড়িচালকই পোর্শে চালাচ্ছিলেন।
নাবালক নয়, বিলাসবহুল গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে ছিলেন বাড়ির ড্রাইভার! এমনটাই দাবি করলেন অভিযুক্তের বাবা। ১৭ বছরের অভিযুক্ত নাবালকেরও দাবি তেমনটাই। এমনকী, নাবালকের যে দুই বন্ধু ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন, তারাও এই দাবিকেই সমর্থন জানিয়েছে।
সাড়ে সাত হাজারের দু’টি বন্ড এবং দাদুর আশ্বাস পেয়ে জামিন মঞ্জুর করা হয়েছিল পুনে পোর্শেকাণ্ডে অভিযুক্ত নাবালকের। বুধবার জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনা মামলায় নাবালকটিকে একাধিক শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছিল।
তবে কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ১৭ বছরের নাবালকের জামিনের সিদ্ধান্ত খারিজ করে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁকে চাইল্ড অবজারভেশন সেন্টারে পাঠানো হবে। আগামী ৫ জুন পর্যন্ত, ১৫ দিনের জন্য তাকে সেখানেই থাকতে হবে।