BigNews: কাজে এল না ৩০০ শব্দের রচনা! পুনে পোর্শেকাণ্ডে নাবালকের জামিন বাতিল

গত শনিবার রাতে পুনের কল্যাণী নগরে ভয়াবহ মোটরবাইক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ২৪ বছরের দুই ইঞ্জিনিয়ার – অনীশ আওয়াধিয়া এবং অশ্বিনী কোশতার।

২০০ কিলোমিটার বেগে বিখ্যাত রিয়েলটরের ১৭ বছরের নাবালক ছেলে, মদ্যপান করে ঝড়ের গতিতে পোর্শে গাড়ি চালিয়ে মোটরবাইকে ধাক্কা মারে।মোটরবাইকের দুই সওয়ারি প্রায় ২০ ফুট উড়ে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায়।১৫ মিনিটের মধ্যে নাবালককে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই সে জামিন পেয়ে যায়।

১৫ দিন ইয়েরওয়াড়ায় ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করতে হবে।দুর্ঘটনা নিয়ে ৩০০ শব্দের রচনা লিখতে হবে।মদের নেশা ছাড়াতে ট্রিটমেন্ট এবং কাউন্সেলিং করাতে হবে।

সাড়ে সাত হাজারের দু’টি বন্ড এবং দাদুর আশ্বাস পেয়ে জামিন মঞ্জুর করা হয়েছিল পুনে পোর্শেকাণ্ডে অভিযুক্ত নাবালকের। বুধবার জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনা মামলায় নাবালকটিকে একাধিক শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছিল। তবে কয়েকঘণ্টার মধ্যেই বদলে গেল সিদ্ধান্ত।

১৭ বছরের নাবালকের জামিনের সিদ্ধান্ত খারিজ করে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁকে চাইল্ড অবজারভেশন সেন্টারে পাঠানো হবে। আগামী ৫ জুন পর্যন্ত, ১৫ দিনের জন্য তাকে সেখানেই থাকতে হবে।

পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার বলেন, ‘জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে আমরা একটি রিভিউ পিটিশন জমা করেছি। নাবালককে সাবালক হিসেবেই বিচার করা উচিত এই মামলায়। তাকে রিমান্ড হোমে পাঠানো উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে জুভেনাইল জাস্টিট বোর্ডের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তারা জানিয়েছেন, আগামী ৫ দুন পর্যন্ত রিমান্ড হোমে রাখা হবে অভিযুক্ত নাবালককে। তবে তাকে আদৌ সাবালক হিসেবে বিচার করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ‘

মহারাষ্ট্রের পরিবহণ কমিশনার বিবেক ভিমানওয়ার বলেন, ‘পুনের ১৭ বছরের নাবালক, যার পোর্শে গাড়ির ধাক্কায় দুই আইটি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে, তাকে ২৫ বছর না হওয়া পর্যন্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে না।’