BigNews: ২০১৪-এর টেটেও ‘যোগ্য-অযোগ্য’ নিয়ে প্রশ্ন, বাড়ছে প্যানেল বাতিলের আশঙ্কা

২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের আভাস পাওয়া গেছে।OMR শিটের তথ্য খুঁজে না পাওয়া গেলে ২০১৪ সালের নিয়োগ প্যানেল বাতিল হতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কি যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের আলাদা তালিকা পেশ করতে পারবে?যদি তালিকা আলাদা করা না যায়, তাহলে কি পুরো টেট প্রক্রিয়াই বাতিল বলে বিবেচিত হবে?প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও ‘এস বসু অ্যান্ড কোম্পানি’-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।টেন্ডার ছাড়াই ‘এস বসু অ্যান্ড কোম্পানি’-কে কেন বরাত দেওয়া হয়েছিল?
সিবিআই রিপোর্টে কী:
প্রায় আট হাজার উত্তরপত্রের প্রতিলিপি ‘এস বসু অ্যান্ড কোম্পানি’ পর্ষদকে দেয়নি।৭৫২ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফল প্রথমে স্থগিত রাখা হয়েছিল, পরে তাদের উত্তীর্ণ বলে দেখানো হয়।উত্তরপত্র স্ক্যান করা না থাকলে এটা সম্ভব হত না।
অন্যান্য তথ্য:
এই মামলায় ৫৯,৫০০ জন প্রার্থীর ভাগ্য ঝুলছে।তালিকায়ও গরমিলের অভিযোগ।আদালত সিবিআইকে OMR শিটের আসল কপি ও ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে।আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
ফলাফল নেতিবাচক হলে সমস্ত নিয়োগ বাতিল হতে পারে।প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও সিবিআইয়ের উপর তথ্য উদ্ধারের ভার।২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ বাতিলের বিষয়েও আগামীকাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানি।
যদি ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট বাতিল হয়, তাহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
উল্লেখ্য, এটি একটি জটিল আইনি বিষয় এবং এখনও চলমান।চূড়ান্ত রায় আদালত দেওয়ার আগে ধৈর্য ধরা উচিত।সকল পক্ষের যুক্তি শুনে বিচারকরা ন্যায়বিচার করবেন বলে আশা করা যায়।