পশ্চিমবঙ্গের জনসখ্যা ছাপিয়ে যাবে গোটা মিশর! জনসংখ্যায় বিদেশকে টেক্কা দিচ্ছে ভারতের রাজ্যগুলি?

প্রায় এক শতাব্দী ধরে চীনের পরে দ্বিতীয় স্থানে থাকার পর ২০২৩ সালে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে পরিণত হয়েছে।
জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) ২০২৩ সালের রিপোর্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জনসংখ্যার হিসাব:
বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা ১৪২.৮ কোটি, যা চীনের ১৪২.৫ কোটি জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা ১৪৪ কোটি ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণ:

ভারতে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়ু বৃদ্ধির কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েছে।একই সময়ে, চীনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে ধীরে কমে আসছে।

. বিশ্বের জনসংখ্যার তুলনায় ভারতের অবস্থান:

ভারত এবং চীন মিলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ গঠন করে।২০২২ সালে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৮ বিলিয়ন।

ভারতের রাজ্যগুলির জনসংখ্যা:
যদি ভারতের রাজ্যগুলি আজ স্বাধীন দেশ হত, তবে সেগুলি বিশ্বের শীর্ষ ২০ জনবহুল দেশের তালিকায় অর্ধেক স্থান দখল করত।
উত্তর প্রদেশ বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম দেশ হত জনসংখ্যার দিক থেকে।
গুজরাটের জনসংখ্যা কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের সম্মিলিত জনসংখ্যার চেয়ে বেশি।

উদ্বেগের কারণ:
বৃদ্ধিপ্রাপ্ত জনসংখ্যা প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে জল, ভূমি এবং বন।টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সরকারি পদক্ষেপ:
ভারত সরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন সংস্কার প্রয়োগ করছে।
এর মধ্যে রয়েছে পারিবারিক পরিকল্পনা প্রচার, শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীর ক্ষমতায়ন।

নাগরিকদের কর্তব্য:

জাতির মঙ্গল নিশ্চিত করার জন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধে সকল নাগরিকের ভূমিকা রয়েছে।
সরকারি উদ্যোগগুলিকে সমর্থন করা এবং পরিবার नियोजन পদ্ধতি গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।