রাম মন্দিরের পর এবার সীতা মন্দির, কবে-কোথায় গড়ে উঠবে আরো এক পুণ্যস্থান?

অযোধ্যার রাম মন্দিরের পর এবার সীতার জন্মস্থান সীতামারিতে তৈরি হবে গ্র্যান্ড সীতা মন্দির।৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করে এই মন্দির নির্মাণ করা হবে।ইতিমধ্যেই বিহার ক্যাবিনেটে এই প্রস্তাব পাশ হয়ে গিয়েছে।

হিন্দুদের কাছে সীতামারি একটি পবিত্র স্থান।দেশ-বিদেশ থেকে অগণিত ভক্ত অযোধ্যায় রাম মন্দির দর্শন করতে আসেন।তাঁরা সীতার জন্মস্থান দেখতেও আগ্রহী।
এই মন্দির নির্মাণে সীতার জন্মস্থান সীতামারি তীর্থস্থান হিসেবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিহারের বিধান পরিষদের প্রাক্তন সদস্য কামেশ্বর চৌপল এই মন্দির নির্মাণের অন্যতম মূল উদ্যোক্তা।তাঁর মতে, “রামের জন্য অযোধ্যা যা, সীতার জন্য সীতামারিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।”আশা করা হচ্ছে এই মন্দির নির্মাণ হলে সীতামারি তীর্থস্থান হিসেবে আরও সমৃদ্ধ হবে এবং দেশ-বিদেশ থেকে আরও বেশি পর্যটক আকর্ষণ করতে পারবে।

কামেশ্বর চৌপল আরও বলেন, ‘১০০ বছর আগে সীতামারিতে একটু মন্দির তৈরি হয়েছিল। তবে সেটি আর আগের মতো অবস্থায় নেই। তাই আমাদের প্রস্তাব অযোধ্যার রাম মন্দিরের মতোই গ্র্যান্ড সীতা মন্দির তৈরি হোক সীতামারিতে।’

বিহারের মুখ্যসচিব ড. এস সিদ্ধার্থ বলেন, ‘সরকার কখনও মন্দির নির্মাণ করতে পারে না। তবে একাধিক অংশ থেকে দাবি উঠেছে ওই এলাকায় একটি মন্দির গড়ে তোলা হোক। ফলে সরকার জমি অধিগ্রহণ করে তা বাস্তবায়িত করার প্রচেষ্টা নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মন্দির নির্মিত হলে এলাকায় প্রচুর সংখ্যক ভক্তের আনাগোনা বাড়বে। ফলে হোটেল তৈরির প্রয়োজন পড়বে। ভবিষ্যতের এই প্রয়োজনের কথাগুলি ভেবেই সরকার জমি অধিগ্রহণ করবে বলে স্থির করেছে। আমাদের ধারণা সেখানে মন্দির তৈরি হলে তিরুপতির ন্যায় পুণ্যস্থানে পরিণত হবে। তেমন উন্নয়নের জন্য সঠিক পরিমাণ জায়গা প্রস্তুত রাখার জন্যই সরকারের এই সিদ্ধান্ত।’