কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিলেন কৌস্তভ, পদত্যাগ পত্র পাঠালেন হাইকম্যান্ড ও প্রদেশ নেতৃত্বকে

রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধাক্কা, কংগ্রেস ছেড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচক ও যুব নেতা কৌস্তভ বাগচী। ইতিমধ্যেই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। দলের সমস্ত পদ থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন কৌস্তভ।

কৌস্তভের অভিযোগ:
একটি সংবাদমাধ্যমে কৌস্তভের কার্যত অভিযোগ, সর্বভারতীয় কংগ্রেস রাজ্যে তৃণমূলকেই গুরুত্ব দেয়। তাদের কাছে প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও অস্তিত্বই নেই।

ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ:
কৌস্তভ কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করায় তাঁর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তিনি আগামীদিন বিজেপিতে যোগদান করবেন কি না, উঠতে শুরু করেছে সেই প্রশ্নও।

কৌস্তভ ও বিজেপি:

প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস ধরেই প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল কৌস্তভ বাগচীর। অন্যদিকে সাম্প্রতিককালে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও দেখা যায় তাঁকে।

কৌস্তভ ও শুভেন্দু:

গত সেপ্টেম্বর মাসে নিয়োগের দাবিতে মিছিল করেন গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীরা। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে দিয়ে গিয়েছিল সেই মিছিল। তাতে অংশ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি সেই মিছিলে দেখা যায় কৌস্তভ বাগচীকেও।
এমনকী বিরোধী দলনেতা হিসেবে অতীতে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকার প্রশংসাও করতে দেখা গিয়েছে কৌস্তভ বাগচীকে।
অতিসম্প্রতি কৌস্তভ বাগচীর বাড়ির গণেশ পুজোয় অতিথি হয়েও গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা।

কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া:

এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচ রায় বলেন, ‘তিনি (কৌস্তভ বাগচী) মনে করেছে পদত্যাগ করেছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরে যত আন্দোলন চলছিল, তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেসের হাইকম্যান্ডকে যখন বিজেপি আক্রমণ করে, তখন তিনি চুপ করে থাকেন। বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের যে আপোষহীন সংগ্রাম তাতে বোধ হয় কোথাও অস্বস্তি বোধ করছিলেন।’