“৪ বছর আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে নরেন্দ্র মোদী সরকার ব্যর্থ”-ক্ষোভে ফুঁসছে কৃষকরা

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অম্বিকাপুরে আন্দোলনরত কৃষকদের মাঝে পৌঁছে বার্তা দিলেন “ঘৃণার বাজারে ভালোবাসার দোকান খুলতে এসেছি।” কিন্তু রাহুলের এই বার্তায় কৃষকদের মন গলে না।
পঞ্জাব কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রবণ সিং পান্ধের বলেন, “BJP-র থেকে কম দোষী নয় কংগ্রেস। এই দল আমাদের সমর্থন করে না।”
কৃষকরা মনে করেন, কংগ্রেস সরকারই কৃষকবিরোধী আইনগুলি এনেছিল।তাঁরা কোনও দলের পক্ষে নয়, নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য লড়ছেন।
কংগ্রেসের পাল্টা বক্তব্য:
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একহাত নিয়ে বলেন, “কৃষকদের আটকানোর চেষ্টা দুর্ভাগ্যজনক।”
কৃষক আন্দোলন 2.0:
সোমবার রাতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেঁধে দেওয়া, পেনশন, বকেয়া আদায়ের দাবিতে পথে নেমেছেন কৃষকরা।২০২০-২১ সালের মধ্যে মৃত কৃষকদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্যেরও দাবি জানানো হয়েছে।
আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য:
হরিয়ানা, পঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ থেকে পদযাত্রা করে এগোচ্ছে কৃষকরা।দিল্লির সীমানায় দুর্ভেদ্য প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে।এক মাসের জন্য জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।
কৃষকদের অভিযোগ:
চার বছর আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে নরেন্দ্র মোদী সরকার ব্যর্থ।
কৃষিঋণ মুকুব এবং স্বামীনাথ কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারি সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
ভবিষ্যৎ কর্মসূচি:
আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধের ডাক দিয়েছে কৃষকদের সংগঠন সংযুক্ত মুক্তি মোর্চা।বনধে সামিল হতে চলেছে সিটু সহ দেশের সমস্ত ট্রেড ইউনিয়নগুলি।
কৃষকদের আন্দোলন দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। সরকার কৃষকদের দাবি মেনে নেয় কি না, তা আগামী সময়ই বলে দেবে।