ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হলেন চম্পাই সোরেন, টিকে গেলেও চ্যাম্পিয়ন থাকতে পারবেন কি?

চম্পাই সোরেন ঝাড়খণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেও, তার সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় মোট আসন ৮১। ম্যাজিক ফিগার ৪১।
জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি-সিপিআইএমএল লিবারেশন জোটের কাছে ৪৮ জন বিধায়ক রয়েছে।বিজেপির ২৬ জন বিধায়ক এবং ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ৩ জন বিধায়ক তাদের সমর্থন করছে।জেএমএমের ৪ জন বিধায়ক জোট থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছেন।লোবিন হেমব্রম, জেএমএম বিধায়ক, হুমকি দিয়েছেন যে তিনি আস্থা ভোটে ভোট দেবেন না।
বিজেপি ‘অপারেশন লোটাস’ চালিয়ে জোটের বিধায়কদের কিনতে চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের ‘রিসর্ট পলিটিক্স’-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে।
হেমন্ত সোরেনের গ্রেপ্তারির পর সোরেন পরিবারের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়েছে।হেমন্ত সোরেন তার স্ত্রী কল্পনা সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে চান, কিন্তু শিবু সোরেন চান তার বড় ছেলের বিধবা বউ সীতা সোরেন মুখ্যমন্ত্রী হোক।
অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ:
এই পরিস্থিতিতে চম্পাই সোরেনের সরকার কতদিন টিকবে তা বলা কঠিন।বিজেপি সুযোগের অপেক্ষায় আছে এবং আস্থা ভোটে জোটের বিধায়কদের কিনতে পারলে তারা সরকার গঠন করতে পারে।
চম্পাই সোরেন ঝাড়খণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেও তার সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।বিজেপির ‘অপারেশন লোটাস’ এবং সোরেন পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিবাদ সরকারের জন্য হুমকিস্বরূপ।এই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।