গুণমানে ফেল নামী ব্রান্ডের ৭৮ ওষুধ! চমকে দেওয়া তথ্য দিলো CDRA

সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) গত ডিসেম্বর মাসে বাজার থেকে র‍্যান্ডম পদ্ধতিতে ১০০৮টি ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে। নমুনাগুলি পরখ করে দেখা যায়, ৭৮টি ওষুধ মানোত্তীর্ণ নয়। এই ওষুধগুলি বাজার থেকে অবিলম্বে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সিডিএসসিও।

মানোত্তীর্ণ না হওয়ার মূল কারণগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য, অ্যাসে ও ডিজ়োলিউশন টেস্টে পাশ না করা। এর জন্য ওষুধগুলি রক্তে মেশার পরে প্রত্যাশিত মাত্রায় কাজ করে না। কোনও কোন নমুনায় আবার দেখা গিয়েছে, ট্যাবলেটের সব অংশে ওষুধের বণ্টনে অসাম্য রয়েছে। আবার কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, দ্রবীভূত হওয়ার পরে সেগুলির অম্লতার মাত্রা (পিএইচ) যথাযথ নয়। ওষুধের উপকরণে ভেজাল থাকলেই এমনটা হয় বলে জানাচ্ছেন ফার্মাকোলজি বিশেষজ্ঞরা।

মানোত্তীর্ণ না হওয়া ওষুধগুলির তালিকা:

গ্যাস-অম্বল ঠেকানোর ওষুধ প্যান্টাপ্রাজ়োলের বিখ্যাত একটি ব্র্যান্ড
পরিচিত মাল্টি-ভিটামিন
অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ওষুধ মন্টিলুকাস্ট-লিভোসেট্রিজিন কম্বিনেশন
উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ওষুধ টেলমিসার্টান ও টেলমিসার্টান-অ্যাম্লোডিপিন কম্বিনেশন
নার্ভের ওষুধ প্রেগাবালিন
মৃগীর ওষুধ সোডিয়াম ভ্যালপোরেট
ব্যথানাশক অ্যাসিক্লোফিন্যাক-প্যারাসিটামল-সেরাশিওপেপটিডেজ় কম্বিনেশন
অ্যান্টিবায়োটিক সেফপোডক্সিম
হার্টের ওষুধ ডিলটিয়াজেম

ওষুধের গুণমান নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বাজারে জাল ওষুধের ছড়াছড়ি রোধ করতেও সরকারের পদক্ষেপ দরকার।