নবম-দশমের নতুন বই ছেড়ে পুরনো কিনতে বাড়ছে ভিড়! জেনেনিন কেনার হিড়িকের দুই কারণ

মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনের অস্থায়ী পুরনো বইয়ের দোকানগুলিতে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে নতুন বই ছেড়ে পুরনো বই কেনার হিড়িক দেখা যাচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বই ছাড়াও চাকুরির প্রস্তুতির বই থেকে উপন্যাস, গল্পের বই পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে।
নতুন বইয়ের থেকে অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগ দামে পুরনো বই বিক্রি হচ্ছে। পুরনো নবম ও দশম শ্রেণির সিলেবাসের বাইরের বইয়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বই বিক্রেতারা জানান, নবম-দশম শ্রেণির বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। পুরনো সিলেবাসের বইয়ের চাহিদা বেশি। এছাড়াও নতুন সিলেবাসের বই ভালই বিক্রি হয়।
২০১০ থেকে শুরু করে ২০২০ সালের আগে পর্যন্ত সিলেবাসের নবম ও দশম শ্রেণির বই এখন আর প্রিন্ট হয় না। যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা চাকুরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরাই মূলত এই বইগুলি কিনছেন। পুরনো এই সিলেবাসের বইগুলি চাকরিপ্রার্থীদের অনেকটাই সহায়তা করছে। তাই তাঁরা শহরের পুরনো বইয়ের দোকানে খোঁজ করছেন। পাশাপাশি পুরনো যে সমস্ত বইগুলি বর্তমানে প্রিন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই সব বইয়ের চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে।
নতুন বই ছেড়ে পুরনো বই কেনার কারণ হল, বর্তমানে সিলেবাসের বইয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা কম থাকে। এদিকে পুরনো বইয়ে সমস্ত জিনিস অনেক বেশি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বোঝানো থাকে। ফলে সেগুলো চাকরিপ্রার্থীদের অনেক বেশি কাজে লাগে। পুরনো এই বইগুলিতে বিস্তারিতভাবে সমস্ত বিষয়গুলি রয়েছে।
বই বিক্রেতারা জানান, বছরের অন্যান্য সময় খুব একটা ভাল বিক্রি হয় না। কিন্তু এই সময়টা পুরনো বইয়ের চাহিদা ভাল থাকে। জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। কম দামে এখানে বই পাওয়ায় অভিভাবকরাও সিলেবাসের বই কিনছেন।
শিক্ষাবর্ষের শুরুতে পুরনো বই কেনার হিড়িক দেখা যাচ্ছে মালদহে। এর কারণ হল, নতুন বইয়ের থেকে অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগ দামে পুরনো বই পাওয়া যায়। এছাড়াও পুরনো বইগুলিতে নতুন বইয়ের তুলনায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা থাকে, যা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য অনেক বেশি কাজে লাগে।